ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের (২০২২-২০২৩) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৭টি পদে জিতেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। একটি সহ-সভাপতিসহ বাকি ছয়টি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবু আমজাদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট জাকারিয়া খান নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আওয়ামী কর আইনজীবী লীগ এবং বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তবে ২৩টি পদের কোনোটিতেই একাধিক প্রার্থী না থাকায় সবাই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের বিদায়ী সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় সাধারণ সভায় বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনের কমিশনার অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইকবাল মোস্তফা, অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহ্‌রাব উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ শাহাদাত খান, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, হুমায়ূন কবীর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মজিদ মল্লিক প্রমুখ।

এর আগে গত ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো। তবে ১০ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিনে প্রতিটি পদেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা সব প্রার্থীকেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইকবাল মোস্তফা। পরে বার্ষিক সাধারণ সভার দিন নির্বাচিতদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ী অন্যরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হক চৌধুরী সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী আশরাফুল আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজন চক্রবর্তী এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট বিকাশ চন্দ্র সরকার, অ্যাডভোকেট গোলাম হাক্কানী, অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েস, অ্যাডভোকেট মামুন হোসেন খন্দকার, অ্যাডভোকেট নেকবর হোসেন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ওহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট রিপন কুমার বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট সাজেদা বেগম ও অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান (পদাধিকার বলে)।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ীরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট ফায়েজুল্লাহ, লাইব্রেরি সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কাইয়ুম সরকার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম।