বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে মার্কস থাকে ২০০। এ বিষয়ে লিখতে হয় অনেক। তাই দ্রুত লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
-প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন। যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন। পেপার থেকে উদ্ৃব্দতি দেওয়ার সময় উদ্ৃব্দতির নিচে সোর্স এবং তারিখ উল্লেখ করুন। পরীক্ষার খাতায় এমন কিছু দেখান, যেটা আপনার খাতাকে আলাদা করে তোলে। যেমন বিভিন্ন সোর্সসহ রেফারেন্স দিতে পারেন। উইকিপিডিয়া কিংবা বাংলাপিডিয়া থেকে উদ্ৃব্দত করতে পারেন। বিভিন্ন মিডিয়ায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কখন কী বললেন, সেটা প্রাসঙ্গিকভাবে লিখতে পারেন।
- বিভিন্ন রেফারেন্স, টেক্সট ও প্রামাণ্য বই অবশ্যই পড়তে হবে। বিসিএস পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পড়ে না। এসব বই পড়া থাকলে উত্তর করাটা সহজ হয়। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্নিষ্ট ধারা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে উদ্ৃব্দতি দিলে মার্কস বাড়বে।
-বাংলাদেশের সংবিধান ভালো করে পড়বেন। কোনো প্রশ্নের উত্তরে সংবিধানের ধারা উল্লেখ করার সুযোগ থাকলে ধারাটি তুলে ধরবেন। পুরো সংবিধান মুখস্থ করার কোনো দরকার নেই। যেসব ধারা থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলোর ব্যাখ্যা ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ূন। সংবিধান থেকে ধারাগুলো হুবহু উদ্ৃব্দত করতে হয় না।
-লেখার মধ্যে যতটা সম্ভব তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরবেন। তথ্য-উপাত্ত বেশি হলে চার্ট বা টেবিল এঁকে তথ্য তুলে ধরবেন। তাতে কম সময়ে বেশি তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। সরকার কর্তৃক প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে যে কোনো তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে তথ্যটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য হবে।
-গাদা গাদা ডাটা, চার্ট শিখতে হবে না। গত পাঁচ বছরের জিডিপির গ্রোথ, পার ক্যাপিটা ইনকাম, রেমিট্যান্স, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ইত্যাদিসহ জিডিপিতে কোন সেক্টরে কার কী অবদান এগুলো খাতায় তুলে নিন। উত্তরে এগুলো ব্যবহার করবেন।
-গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য খাতায় সঙ্গে সঙ্গে লিখে রাখলে পরীক্ষার আগের রাতে রিভিশনে বেশ সুবিধা হয়। যেমন- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার ঐতিহাসিক পটভূমি সংশ্নিষ্ট গুরুত্মপূর্ণ তারিখগুলো