মেয়র আতিকুল ইসলাম ঢাকার যানজটন নিরসনে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জোড়-বেজোড় সংখ্যার মাধ্যমে যান চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়ার যে কথা বলেছেন, এর জবাবে পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘মেয়র আতিক বলেছেন, ঢাকায় জোড় সংখ্যার গাড়ি জোড় তারিখে, বেজোড় সংখ্যার গাড়ি বিজোড় তারিখে চলবে। কখনও দায়িত্ব পেলে এটা করবেন তিনি।’

‘ভাই মেয়র, আপনাদের তো গাড়ি দশ বারোটা। এভাবে চললে অসুবিধা নেই। আমরা যারা কোনোমতে এক গাড়ির মালিক হয়েছি, আমাদের বাচ্চাদের কী হবে? জোড়-বেজোড়ের ফেরে তাদের স্কুল যাওয়া বন্ধ থাকবে?’

এরপরই মেয়রকে সবার গাড়ি না চড়ার প্রস্তাব দেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘ধন্যবান মেয়র ভাই, আর কতো বৈষম্য সৃষ্টির বাণী দেবেন? এর চেয়ে আসেন আমরা সবাই গাড়ি চড়া বন্ধ করে দিই। গণহারে সরকারি বাস চালু করি। সবাই সেখানে চড়ব। রাজী আছেন মেয়র?’

রাজী আছেন মেয়র? মেয়র আতিক বলেছেন , ঢাকায় জোড় সংখ্যার গাড়ি জোড় তারিখে, বিজোড় বিজোড় তারিখে চলবে। কখনো দায়িত্ব পেলে...

Posted by Dr. Asif Nazrul on Saturday, 19 March 2022

শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের হাতে দিলে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জোড়-বেজোড় সংখ্যার মাধ্যমে যান চলাচলের প্রক্রিয়া চালু করবে ডিএনসিসি।

মেয়র বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থা সিটি করপোরেশনকে দিলে জোড় নম্বরের গাড়িগুলো জোড় তারিখে ও বেজোড় নম্বরের গাড়িগুলো বেজোড় তারিখের দিনে চালাতে পারবেন মালিকরা।

আতিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর কোন রাস্তায় কী সংখ্যক গাড়ি চলাচল করে, কোন রাস্তায় বেশি যানজট হয়, এসব গবেষণা করে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সম্প্রতি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর ঢাকার সড়কে যানজটের মাত্রা বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজটে পড়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কর্মজীবী ও রাজধানীর বাসিন্দারা।