ভোলার চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদারকে হত্যাচেষ্টা এবং মারধরের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদারের বড় ভাই মোসলে উদ্দিনের সঙ্গে জমি নিয়ে আদম হাওলাদারদের বিরোধ চলছে। ওই বিরোধের জের ধরে উপজেলা পরিষদের সামনে বারেক হাওলাদারের ছেলে ফেরদাউসের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক সেলিম চেয়ারম্যানের উপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদার বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

উল্টো অভিযোগ করে আসামি আদম হাওলাদারের বাবা বারেক হাওলাদার বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সোমবার রাতে সেলিম হাওলাদারের বড় ভাই মোসলে উদ্দিন হাওলাদার তার ছোট ছেলে আদমকে মারধর করেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে তার বড় ছেলে ফেরদাউস চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দিলে তিনি উত্তেজিত হন এবং কথা কাটাকাটির জের ধরে তার ছেলেকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যানের ভাই মোসলেউদ্দিন হাওলাদার ২০-৩০ জনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের ভাই মোসলেউদ্দিন বলেন, আদম হাওলাদার তার পুকুর থেকে প্রায় ৭-৮ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেন। তিনি ওই পুকুরের সেচ মেশিন বন্ধ করে দেয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভাইকে মারধর এবং গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করেন।

চরফ্যাশন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টা এবং মরধরের অভিযোগে মামলা হয়েছে। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।