প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে শতভাগ শিক্ষিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বদা উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে যাচ্ছেন। 

দীপু মনি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার আজ দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন হলে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সপ্তম সমাবর্তনে দীপু মনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী সমাবর্তনে গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে বলেন, ‘মেধা, প্রজ্ঞা ও কর্ম দিয়ে তোমরা স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। আজকের গ্রাজুয়েটরা হবে আমাদের মূলধন। তোমরা তরুণরা আগামীর কর্ণধার।’

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান। 

তিনি বলেন,‘একটি দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীই তার প্রকৃত সম্পদ। আর এই সম্পদই দেশকে নিয়ে যেতে পাওে নতুন উচ্চতর ঠিকানায়। তাদের হাতে আমাদের ভবিষ্যৎ।’ 

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হল জ্ঞানসমুদ্রের একটি উন্মুক্ত পরিসর, যেখানে শিক্ষার্থীরা অর্জন করবে মূল্যবোধ সমন্বিত মানবিক সকল গুণ, কল্যাণ ও উদ্ভাবনমুখী সৃজনশীল জ্ঞান। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাকে অবজ্ঞা করলে চলবে না।’

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘আমাদের গ্রাজুয়েটরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এবং বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও আমাদের ছাত্রছাত্রীরা মুক্তিযুদ্ধ ও মহান স্বাধীনতার প্রতি আস্থাশীল।’

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অর্জিত নতুন জ্ঞান ও প্রজ্ঞা নিয়ে গ্র্যাজুয়েটরা দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে।’

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বোর্ড অব ট্রাসিটটজের সদস্য শাহেদ কামাল পাটোয়ারী, প্রোভিসি অধ্যাপক ড. গণেশ চন্দ্র সাহা।

সমাবর্তনে ৩ হাজার ৭৪৪জন গ্রাজুয়েট অংশ নেন।