নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও ভাতা বাড়ানোসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, বর্তমান সময়ে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, পরিবহন ভাড়া, বাড়ি ভাড়াসহ সব ধরনের ব্যয় বেড়েছে। জাতীয় স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন করে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৭৩ সালের ১০ ধাপে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। আগের মতোই শতভাগ পেনশন প্রথা পুনর্বহাল করতে হবে। এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন অনিবার্য হয়ে পড়েছে।

 শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মো. আকরা খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদের মহাসচিব আমজাদ আলী খান।

সংগঠনটির সভাপতি মো. মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি আসকার ইবনে শায়খে খাজা, সহ-সভাপতি ইব্রাহীম, অতিরিক্ত মহাসচিব এইচ এম মতিউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক তাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক সফি মোহাম্মদ রেজা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হাসান আলী, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহ-প্রচার সম্পাদক আল-আমিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদা বেগম, খদিজা বেগম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের আগের মতোই ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও বেতন সমতাকরণ পুনর্বহাল করতে হবে। জীবনযাত্রার মান সমুন্নত রাখার স্বার্থে এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয় বিবেচনা করে পেনশনের হার ৯০ শতাংশ থেকে শতভাগে উন্নীত করতে হবে। এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি চালুসহ সচিবালয়ের মতোই সচিবালয়ের বাইরের সব সরকারি কর্মচারীদের সিলেকশন গ্রেডসহ পদবি ও বেতন বৈষম্য দূর করতে হবে। ব্লক পোস্টধারীদের পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।