ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মোল্যা ও ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়ার দ্বন্দ্ব বেশ পুরনো। হাতাহাতির ঘটনায় দুজনকেই কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে তারা খারদিয়া গ্রামে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের তুমুল সংঘর্ষে প্রাণ যায় সিরাজুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবকের। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই গ্রুপের ৩০-৩৫ জন। এতে ৫০টির মত বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। 

আহতদের ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বোয়ালমালী ও মুকসুদপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শর্টগানের ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহত সিরাজুল ইসলাম খারদিয়া ঠাকুর পাড়া গ্রামের মো. ইশারত মোল্যার ছেলে। তিনি পাশের ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন। 

ফরিদপুর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান সমকালকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও দুই পক্ষের লোকজন কেউ ক্ষান্ত হয়নি। উল্টো পুলিশের চোখ এড়িয়ে চলছিল হামলা, লুটপাট। পরে বাধ্য হয়ে কয়েক রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি ও ক্যাদানে গ্যাস ছুঁড়ে নিয়ন্ত্রণে আনা হয় পরিস্থিতি।

লুটের মালামালসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।