করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্যে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী বলেছেন, আমার কর্মজীবনে যে উপার্জন করেছি, সেখান থেকে ১৫-২০ শতাংশ টাকা দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যয় করেছি। সে কারণে জীবনে বাড়ি-গাড়ি কোনো কিছু করতে পারিনি। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে এ বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন ডা. সাবরিনাসহ আট আসামি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্যে ন্যায়বিচার চান।

তাদের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ২৫ মে দিন ধার্য করেন। গত ২০ এপ্রিল একই আদালতে সাক্ষ্য দেন মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। মামলাটিতে ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে।