প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল হতে পারে বলে আভাস মিলেছে। 

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিবের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। সেখানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরীক্ষা বাতিল করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। দু- একদিনের মধ্যে এই ঘোষণা আসতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক সমকালকে বলেন, সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পরীক্ষা বাতিলের চিন্তা-ভাবনা করছি।

মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন উইং) ও নিয়োগ নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী সমকালকে বলেন, দু-এক দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত আমরা জানিয়ে দেব। অনেক শিক্ষার্থী আমাদের কাছেও পরীক্ষার ভবিষ্যত নিয়ে জানতে চেয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুনভাবে কিছু ভাবতে হবে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। এই জালিয়াতিতে কার কী ভূমিকা ছিল এটা এখন স্পষ্ট।

নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে একে একে আরও অনেকের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে। 

গত শুক্রবার একযোগে ৬১টি কেন্দ্রে মাউশির অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পদের সংখ্যা হলো ৫১৩টি। পরীক্ষার্থী ছিলো ১ লাখ ৮৩ হাজার। একেকটি পড়ে গড়ে প্রতিযোগিতা করেছেন ৩৫৭ জন। 

তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই অনেকের হোয়াটস অ্যাপে উত্তরপত্র চলে যায়। গতকাল পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।