আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। এর পর ২৪ হাজার যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

শুক্রবার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মৎস্যজীবী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। একইসাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচারকার্য বন্ধ করে দিয়েছে। বিদেশে তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করেছে। 

‘দেশবিরোধীরা মরেনি, সাপের মতো গর্তে লুকিয়ে আছে। সময়মতো ছোবল দিতে আবারও বেরিয়ে আসবে’, যোগ করেন তিনি।

আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কোটি জনতা সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিল এবং জাতির পিতার কন্যাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেছিল। সেদিন শেখ হাসিনা ফিরে না আসলে আজকে দেশের এত উন্নয়ন হতো না। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারতো না। পদ্মাসেতু করার সময় ড. ইউনূস বিশ্বব্যাংককে অর্থ না দিতে বলেছেন এবং ষড়যন্ত্র করেছেন। 

তিনি আরও বলেন, খালেদা-নিজামী ও চারদলীয় জোট সরকারের নির্দেশে হাওয়া ভবনে ষড়যন্ত্র করার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছেন। ওই সময় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন— আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্রী সুজিত রায় নন্দী, মৎস্যজীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক প্রমুখ।