নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেছেন, ইভিএম একটি গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি। ইভিএমে ফিঙারপ্রিন্ট দেওয়ার পরে অনেকের মনে ভুল চিন্তা যে আমি এ টিমকে ভোট দিলে ডিজিটালি বি টিমে চলে যাবে। যদি কোনো রাজনৈতিক দল, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট পরীক্ষা করে ইভিএমের ভুল ধরতে পারে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।

শুক্রবার দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করব। সেই গ্রাউন্ডে কোন কোন টিম খেলবে সেটা হচ্ছে টিমের ব্যাপার। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই যে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সব দলের অংশগ্রহণের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনসহ যেকোনো নাগরিক সেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তাই সঠিকভাবে তথ্য নিতে হবে। তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সঠিকভাবে তথ্য নিতে প্রমাণক হিসেবে পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন অথবা এসএসসি সনদের সাহায্যে ব্যক্তির নামের বানান ও আনুষঙ্গিক তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর কবির ও কেসিসি’র ভারপ্রাপ্ত মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না।

অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো. ইউনুচ আলী। ভোটার তালিকা হালনাগাদ বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করেন থানা নির্বাচন কর্মকর্তা সোমেন বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে সপ্তমবারের মতো ২০২২ সালের ২০ মে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু হয়ে ৯ জুন পর্যন্ত চলবে। ১০ জুন থেকে ছবি তোলা শুরু হবে। ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ও ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে। এবারের ভোটার তালিকায় ১ জানুয়ারি ২০০৫ তারিখের পূর্বে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।