ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মো. জসিম উদ্দিনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। 

রোববার দুপুরে ওই হামলায় গাড়ির সামনের ও পেছনের কাচ ভেঙে যায়। এরপর পুলিশি পাহারায় তাকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জসিম উদ্দিন।

তজুমদ্দিন থানার পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু অপরিচিত যুবক, সম্ভবত ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মী হবে, তারা মো. জসিম উদ্দিনের গাড়িতে হামলা করেছেন। তাকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

জসিম উদ্দিন তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি ২৭ মে ভোলার লালমোহন উপজেলার নিজ বাড়িতে আসেন। রোববার দুপুরে বৃষ্টির ভেতরে তিনি ও তার স্ত্রী তজুমদ্দিন উপজেলায় বেড়াতে যান। জোহরের নামাজের সময় পথের এক পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এ সময় একটি ছেলে তার গাড়ির ছবি তোলে। নামাজ শেষে তারা তজুমদ্দিন শহরে প্রবেশ করলে (থানার গেট বরাবর) ২০ থেকে ২৫ জন যুবকের একটি দল তাদের গাড়ির পথরোধ করে দাঁড়ায়।

এরপর তারা গালিগালাজ করে তার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ানের নাতি ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বলে জানান জসিম উদ্দিন।

তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি ঘটনার সময় তজুমদ্দিন ছিলেন না। জসিম উদ্দিন যে অভিযোগ দিচ্ছেন, তাও সত্য নয়।

তিনি জানান, তজুমদ্দিন ছাত্রলীগ একটি সভা শেষে আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে রাস্তায় বের হয়েছিল। এমন সময় মেজর জসিম গাড়ি থামিয়ে একটি চাবুক হাতে নেমে ছাত্রলীগের কর্মীদের পেটানো শুরু করেন। তখনই কর্মীরা খেপে যান। কারণ তারা তো মেজর জসিমকে চেনেন না, আর মেজর জসিম কাউকে না জানিয়ে তজুমদ্দিনে এসেছেন। তাই তারা নিরাপত্তা দিতে পারেননি।