ঝিনাইদহ সদর পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল খালেকের প্রার্থিতা বাতিলের প্রজ্ঞাপন এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আবদুল খালেকের নির্বাচনে অংশ নিতে আর বাধা রইলো না।

এর আগে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আবদুল খালেকের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতিদ্বন্দ্বী একজন প্রার্থীর প্রচারে বাধাদান ও সমর্থকদের আক্রমণ করায় গত বৃহস্পতিবার তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

ইসি জানায়, মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল খালেকের শোভাযাত্রা থেকে গত ১৮ মে প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও তার প্রচারাভিযানে বাধা দেওয়া হয়। আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা চাওয়ার পর তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে আচরণবিধি মেনে চলবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এরপর ২৯ মে নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খানের সামনে সব প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে মৌখিক অঙ্গীকার করেন।

কিন্তু এরপরও আবদুল খালেকের সমর্থকেরা ১ জুন কাইয়ুম শাহরিয়ার ও তাঁর সমর্থকদের আক্রমণ করে আহত করেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। নির্বাচন কমিশন এ ঘটনা তদন্ত করে সত্যতা পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৫ এর বিধান লঙ্ঘনের দায়ে আবদুল খালেকের প্রার্থিতা বাতিল করে।