এলজিআরডিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় রাজনৈতিক বিষয় বিবেচনা করে না। সারাদেশে সমতা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। সিলেটের উন্নয়নেও সরকার আন্তরিক। বিশেষ করে সাম্প্র্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেটের রাস্তাঘাট মেরামতে সহযোগিতা দেওয়া হবে।’

শনিবার নগরীর ধোপাদিঘীতে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্মিত নান্দনিক ওয়াকওয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারত সরকারের অর্থায়নে ‘ধোপাদিঘী এরিয়া ফর বেটার এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড বিউটিফিকেশন’ প্রকল্পের আওতায় এটি বাস্তবায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। এদিন কাষ্টঘর ক্লিনার কলোনি এবং চারাদিঘীর পার স্কুলও উদ্বোধন করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে ভারত সরকারের এ প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এতে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।’ সময়মতো প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করায় সিসিককে ধন্যবাদ জানান দোরাইস্বামী।

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে কাশমির রেজা ও ফাতেমা রশিদ সাবার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মিসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মোশারফ হোসেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব নূরে আলম সিদ্দীকি, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান প্রমুখ।