ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে আছেন লিটন দাস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে টেস্টে দুই হাজার রান পূর্ণ করেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আছেন আরও তিন কীর্তির সামনে। অ্যান্টিগার বিরুদ্ধ কন্ডিশনে দলও তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। 

লিটন দাস আর ৩৩ রান করলে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে চলতি বছর এক হাজার রানের কীর্তি গড়বেন। ওই ৩৩ রান করলে আরও একটি রেকর্ড হবে তার। দেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে এক হাজার রান হবে তার। আগের কীর্তি ছিল শাহরিয়ার নাফিসের। 

সাবেক বাঁ-হাতি টাইগার ওপেনার ২০০৬ সালে শুধু ওয়ানডে ফরম্যাটে এক পঞ্জিকাবর্ষে ১০৩৩ রান করেছিলেন। লিটন দাসের সামনে সুযোগ আছে ওই রেকর্ডও ভাঙার। তার জন্য তার করতে হবে ৬৬ রান।   

কীর্তির সামনে আছেন তামিম ইকবাল। মাত্র ১৯ রান করলে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন তামিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ওই সুযোগ ছিল তার সামনে। চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ভালো করলেও পরের তিন ইনিংসে রান পাননি তামিম। এর আগে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পাঁচ হাজার রান করেছেন মুশফিকুর রহিম।

তবে ব্যক্তিগত কীর্তির চেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে দলীয় পারফরম্যান্সের দিকে বেশি নজর দিতে হবে রাসেল ডমিঙ্গোর শিষ্যদের। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে সর্বশেষ চার টেস্টে হেরেছে বাংলাদেশ। সেখানে সর্বশেষ টেস্টে জয় ১৩ বছর আগে সাকিবের নেতৃত্বের শুরুতে। 

এই অ্যান্টিগায় টেস্টে বাংলাদেশ নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জায় ডুবেছিল ২০১৮ সালের সফরে। দলের সেরা ব্যাটার মুশফিক এই সিরিজে নেই। অফ ফর্মে আছেন টপ অর্ডারের মুমিনুল-শান্ত। অ্যান্টিগার কন্ডিশনও নাকি কঠিন। সব মিলিয়ে টেস্ট নেতৃত্বের তৃতীয় অধ্যায় কঠিন হতে যাচ্ছে সাকিবের।