সাক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় আইন করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেছেন, বিচারের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে মামলার সাক্ষী। সাক্ষীদের প্রদত্ত সাক্ষ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে বিচারক রায় প্রদান করেন। বিচারাধীন মামলা সম্পর্কে দ্রুততম সময়ে সাক্ষীদের অবহিত করার জন্য মোবাইল ফোনে এসএমএস প্রেরণ করার মাধ্যমে সাক্ষীদের প্রতি সমন জারির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুল লতিফের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতে সাক্ষীরা যাতে ভোগান্তিহীনভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন, সেজন্য জেলাগুলোতে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সাক্ষীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার আইন প্রণয়নের বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিচারাধীন মামলা সম্পর্কে দ্রুততম সময়ে সাক্ষীদের অবহিত করার জন্য মোবাইল ফোনে এসএমএস প্রেরণের মাধ্যমে সাক্ষীদের প্রতি সমন জারির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে ফৌজদারী মামলার সাক্ষীরা আদালতে বিচারাধীন মামলার ধার্য তারিখ সম্পর্কে বিদ্যমান সমন জারি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি এসএমএস-এর মাধ্যমে অবগত হবেন। এর ফলে সহজে ও স্বল্প খরচে আদালতে সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত হবে। এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।

সৈয়দ আবুল হোসেনের আরেক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, করোনা মহামারিকালে দেশের মানুষ যেন ন্যূনতম বিচারিক সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে দেশের সকল আদালতে বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে বিচারপ্রার্থী সকল পক্ষ এবং তাদের আইনজীবীদের ভার্চু্যয়াল উপস্থিতি নিশ্চিতক্রমে মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ যুগান্তকারী। শেখ হাসিনার সরকার বিচারপ্রার্থী জনগণের ভোগান্তি লাঘবে ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা প্রদান করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।