চট্টগ্রামের আনোয়ারার খোর্দ্দ গহিরা এলাকায় 'ইয়াবা ব্যবসায়ী' হিসেবে পরিচিত জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।

বৃহস্পতিবার দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এ মামলাটি করেন সংস্থার উপসহকারী পরিচালক আবদুল মালেক। মামলায় ৯১ লাখ ৩০ হাজার ২০১ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ২০১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, জসিমের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের আগে বেশ কয়েক বছর ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমে সত্যতা পায় দুদক। পরে তাঁকে সম্পদ বিবরণী জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর দুদকের কাছে সম্পদ বিবরণী জমা দেন জসিম। সেখানে ৩ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার টাকার স্থাবর এবং ১৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ মিলে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের কথা জানান তিনি। তবে তদন্তে ৪ কোটি ২৭ লাখ ৩৫ হাজার ২০১ টাকার সম্পদের উপস্থিতি পান দুদক কর্মকর্তারা। এ কারণে ৯১ লাখ ৩০ হাজার ২০১ টাকার সম্পদ গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ২০১ টাকার সম্পদের বৈধ আয়ের উৎসও দেখাতে পারেননি জসিম।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর উপপরিচালক আতিকুল আলম বলেন, মাদক ব্যবসায়ের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জসিমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দিলেও কিছু সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। সাড়ে ৩ কোটি টাকার বেশি সম্পদের বৈধ আয়ের উৎসও দেখাতে পারেননি।