কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও কৃষক-কৃষানিরা। ঢাকার ধামরাই উপজেলায় লক্ষাধিক গরু কোরবানির হাটে বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন তাঁরা। আগের দুই বছর করোনার কারণে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে। সেই ধকল এবার কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে সিলেট ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা এবারও চোখ রাঙাচ্ছে কোরবানির পশুর বাজারে।

ধামরাইয়ের ভালুম গ্রামের বেকার যুবক মাসুম হোসেন গত বছর ১০টি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। তবে আশানুরূপ আয় করতে পারেননি। এবার তিনি ৩৬টি গরু প্রস্তুত করেছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো কোরবানির হাটে বিক্রি করবেন। মাসুম বলেন, এবার করোনার কোনো প্রভাব নেই। ভালো দাম পেলে এবার ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

শুধু মাসুম হোসেনই নন, তার মতো ধামরাইয়ের প্রায় ২০ হাজার কৃষক-কৃষানি ও খামারি প্রাকৃতিক উপায়ে পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করেছেন। ঘরে ঘরে তৈরি হয়েছে গরুর খামার। এতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ছাড়াও কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সহযোগিতা করেছে।

সঠিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, তার মধ্যে সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভস (এসডিআই) অন্যতম। সেখান থেকে ঋণ নিয়ে গরু মোটাতাজা করছেন বান্নাখোলা গ্রামের হালিমা বেগম। তিনি জানান, তিন বছর আগে প্রশিক্ষণ নেন। এরপর ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে গরু কিনে পাঁচ মাসের পরিচর্যায় দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করেন।