সাধারণ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। তবে রোববার সকাল ৬টায় সেতু খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও ‘যানবাহনের চাপে’ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে টোল আদায় শুরু করে যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সমকালকে বলেন, ‘শনিবার রাত ১০টা থেকেই শত শত গাড়ি এসে ভিড়তে থাকে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে। টোল প্লাজা দিয়ে ভোর ৬টায় গাড়ি ছাড়ার কথা ছিলো। তবে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ থাকায় ২০ মিনিট আগেই ছাড়তে হয়েছে।’

ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে প্রথম টোল দিয়ে টোল প্লাজা পার হয় একটি টয়োটা প্রাইভেটকার। প্রথম গাড়ি নিয়ে টোল প্লাজা হতে পেরে গাড়ির মালিক শেখ মোহাম্মদ রবিউল আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরে টোল দিয়ে টোল প্লাজা পার হতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। সাধারণ জনগণের মধ্যে আমি সবার আগে পদ্মা সেতু দিয়ে পার হওয়ার জন্য রাত ১০টা থেকে জাজিরা প্রান্তে এসে অপেক্ষায় ছিলাম। আমার আশা পূরণ হওয়ায় আমি খুশি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।’

এদিকে রোববার সকাল থেকে দূর-দূরান্ত থেকে পদ্মার পাড়ে লোকজন ছুটে এসেছেন কালের সাক্ষী হতে। তাদেরকে উচ্ছ্বাস করতে দেখা গেছে। দীর্ঘদিনের নদী পথের ভোগান্তির শেষে পদ্মা সেতুকে সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। এ দিন সরকার নির্ধারিত মূল্যে টোল দিয়ে সেতু পার হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসব বিরাজ করছে। অনেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে পদ্মা সেতু পার হচ্ছেন।