এবারের জনশুমারি ও গৃহগণনায় অবহেলা হয়েছে বলে স্বীকার করছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, ‘এবার গণনা কাজ অনেক সহজ ছিল। কোনো কিছু লেখার প্রয়োজন হয়নি। শিক্ষিত ছেলে মেয়ে দিয়ে গণনা কাজ করানো হয়েছে। তাদের সম্মানীও অনেক বেশি দেওয়া হয়েছে। তারপরও কাজে দায়িত্বহীনতা দেখা গেছে। জনশুমারি ও গৃহগণনা কাজের দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে আমি স্বীকার করছি এবার অবহেলা হয়েছে।’

আজ মঙ্গলাবার দুপুরে জাতীয় অথনৈতিক পরিষদেও নিবাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এম মান্নান।

গণনাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে যায়নি- গণমাধ্যমকমীদের এরকম অভিযোগের জবাবে নিজের দায় স্বীকার করেন মন্ত্রী। রাজধানীর শেরই বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে একনেকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয় এনইসি সম্মেলন কেন্দ্র-২ এ। 

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘এবার জনশুমারি ও গৃহগণনায় সবচেয়ে বেশি প্রচার এবং প্রচারণা চালানো হয়েছে। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা হয়েছে। অবশ্য, চার লাখ গণনাকর্মীর সবাইকে তো আর চোখে চোখে রাখা সম্ভব নয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা বাদ পড়েছেন, তারা প্রচারিত ফোন নম্বরে কল করেও গণনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ রাখা ছিল।’

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন বলেন, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেটা সমন্বয়ের সুযোগ আছে।’ তৃতীয় পক্ষ দিয়ে ডেটা সমন্বয় করার ব্যবস্থার কথা জানান তিনি।