ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সূচনালগ্ন থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৪ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যে গেজেট প্রকাশিত হয়, তাতেও এই জেলার নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া উল্লেখ করা হয়।

তার পরও অনেকেই সংক্ষেপে এই জেলার নাম 'ব্রাহ্মণবাড়িয়া'-এর পরিবর্তে 'বি-বাড়িয়া' লেখেন। তবে এখন থেকে কেউ 'বি-বাড়িয়া' লিখতে পারবেন না। জেলার নাম লিখতে হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
গত ৮ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম মন্ত্রিপরিষদের বিভাগের সচিবের কাছে আবেদন পাঠান। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাম 'বি-বাড়িয়া' না লিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া লেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়, একটি মহল কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে 'বি-বাড়িয়া' জেলা হিসেবে প্রচার করার ফলে বিভিন্ন দাপ্তরিক যোগাযোগ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড, মহাসড়কে স্থাপিত ওভারহেড ডিরেকশনাল সাইনবোর্ড, কিলোমিটার পোস্ট ও বিলবোর্ডগুলোতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তে 'বি-বাড়িয়া' নামের প্রচলন শুরু হয়, যা এখনও বিদ্যমান আছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/ বিভাগ এবং তাদের আওতাধীন দপ্তরগুলোর চিঠিপত্র এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সফরসূচিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাম বি-বাড়িয়া লিখে পত্র যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সরকারিভাবে বি-বাড়িয়া নামে কোনো জেলা নেই। এমতাবস্থায় সব দাপ্তরিক কাজে বি-বাড়িয়ার পরিবর্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়া লেখার জন্য এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাকে এই বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম বলেন, আগামীদিনে বি-বাড়িয়ার স্থলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া লেখার বিষয়টি সর্বক্ষেত্রে নিশ্চিত করা হবে।