প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে আমরা প্রত্যেকটা বাড়িতে, একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি আমাদের দ্বীপ অঞ্চলে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে যেমন ব্রডব্যান্ড পৌঁছে দিচ্ছি, পাশাপাশি বিদ্যুতও পৌঁছে দিয়ে আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া রাস্তা-ঘাট, পুল-ব্রিজ ব্যাপকভাবে নির্মাণ করে সেটা উন্নত করছি।

বৃহস্পতিবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনির্মিত আট তলা ভবন উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২৫ জুন আমরা স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছি যেটা দক্ষিণ অঞ্চলের ২১টা জেলার মানুষ আর্থ-সামাজিকভাবে নিজেদের জীবনকে উন্নত করতে সক্ষম হবে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ করে উত্তরবঙ্গ থেকে সম্পূর্ণ দুর্ভিক্ষ দূর করেছিলাম, মঙ্গা দূর করেছিলাম আর এবার দক্ষিণ অঞ্চল সংযুক্ত করার ফলে এ অঞ্চলের উন্নতি হবে। বাংলাদেশের মানুষ সবাই সুন্দরভাবে বাঁচতে পারবে সেই সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, সব সময় আমরা শান্তি চাই। জাতির পিতা আমাদের শিখিয়েছেন আমাদের পররাষ্ট্র নীতি সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরীতা নয় এবং সেই নীতিটা যথাযথভাবে আমি মেনে চলি, আমাদের রাষ্ট্র মেনে চলে। কারণ আমি সব সময় বিশ্বাস করি, আমার দেশের মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হবে। তাদের জীবনের মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদেরকে উন্নত জীবন দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি ব-দ্বীপ, প্রতি নিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে চলতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সব সময় এই দেশ ঝুঁকিতে থাকে। কাজে এ দেশের মানুষগুলোকে একটু সুন্দরভাবে বাঁচার সুযোগ করে দেওয়া, তাদের জীবনটাকে অর্থবহ করে দেওয়া-এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।