দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা এগোলেও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা থেকে এখনও বহু দূরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসায় রেফারেল সিস্টেম না থাকায় পুরো স্বাস্থ্যসেবায় বিশৃঙ্খলা রয়েছে। প্রাথমিক স্তরে উন্নতি করতে পারলে এ ব্যবস্থার মাধ্যমেই ৮০ ভাগ জনগণকে পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব।

গতকাল হেলথ ইকোনমিকস স্টাডি অ্যালায়েন্স আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটউটে 'বাংলাদেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গঠন' শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।

যে রোগীর যেখানে সুচিকিৎসা নিশ্চিত হবে, তাঁকে সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থাপনাকে বলে রেফারেল সিস্টেম। চিকিৎসার জন্য সরাসরি জেলা সদর বা রাজধানীতে না গিয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে নির্দিষ্ট হাসপাতালে রেফার করার ব্যবস্থা এটি। এতে রোগীর অহেতুক অধিক ব্যয় হবে না এবং উচ্চ বিশেষজ্ঞ চিকিৎকরা ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যায় সময় দেবেন না।

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইমস ল্যাবের ডিজিটাল হেলথ পরিচালক ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ মামুন এবং অল ওয়েল সিস্টেম স্পেসিফিকেশন ইঞ্জিনিয়ারের সহপ্রতিষ্ঠাতা এম এম আফতাব হোসেইন। সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ।

অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, রেফারেল সিস্টেম থাকলে শুধু প্রাইমারি (প্রাথমিক) স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ৮০ ভাগ জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব। তথ্য-উপাত্ত রক্ষিত হয় না বলে একজন রোগীর মূল্যায়ন করতে সমস্যা হয় ডাক্তারদের। দেশের লোক বিদেশে চিকিৎসা নিতে ধাবিত হচ্ছে। খরচ বাড়ছে।