রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় থাকা ৯৫২টি পুকুর সংরক্ষণসহ ৫ দফা নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এসব পুকুরে যেন মাটি ভরাট করতে না পারে তাও নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি জোবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিবচারপতি কাজী এবাদত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এক রায়ে এসব নির্দেশনা দেন। নির্দেশনাগুলো হলো ১. রাজশাহী শহরে আর যাতে কোনো পুকুর ভরাট ও দখল না হয়, তা বিবাদীদের নিশ্চিত করতে বলেছেন; ২. সিটি মেয়র, পরিবেশ, র্যাব ও জেলা প্রশাসনকে বিদ্যমান পুকুরগুলো সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেন; ৩. পুকুরগুলো যাতে অক্ষত (অরিজিনাল) অবস্থায় থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে; ৪. এ মামলা চলমান থাকবে; এবং ৫. রাজশাহীর অনেক পুরাতন সুখান দিঘীর দখল করা অংশ পুনরুদ্ধার করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে সংরক্ষণ করতে হবে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান।

২০১৪ সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় থাকা ৯৫২টি পুকুর সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে  হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ ( এইচআরপিবি)। পরে হাইকোর্ট ওই বছরেই রুল জারির পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকায় কত পুকুর আছে, তা জানাতে রাজশাহী জেলা প্রশাসককে (ডিসি) নির্দেশ দেন।  হাইকোর্টে পাঠানো এক প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) এলাকায় ৯৫২টি পুকুর রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।