মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও হিন্দুদের ওপর হামলায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ। তারা পরিকল্পিতভাবে কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামের পূজামন্ডপে হামলা ভাংচুর ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের নির্মমভাবে হত্যার বিচার দাবি করেছে।

একইসঙ্গে নড়াইলে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও সাভারের শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে। 

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। ১৯ আগস্ট থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা করে।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যপাঠ করেন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুকুমার চৌধুরী। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন— সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শ্রী প্রবীর কুমার সেন, সাবেক সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, সদস্য সচিব রথীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য, গুলশান বনানী পূজা উদযাপন ফাউন্ডেশনের সভাপতি পান্না লাল দত্ত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মনোজ সেনগুপ্ত প্রমুখ। 

নেতারা বলেন, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সনাতনী ধর্মালম্বীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা ভাংচুর ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাঙালির প্রানের উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। কিন্তু গত বছর রাজধানীর বহুল জনপ্রিয় ধানমন্ডি পূজামন্ডপের মাঠ, সম্প্রতি গুলশান-বনানী পূজামন্ডপের মাঠ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক হামলা, হিন্দুদের জমি দখল, দোকানপাট, ঘরবাড়ি লুটপাটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। হিন্দু সম্প্রদায় নিজেদের অসহায় বোধ করছে।