দেশে অবাধে হাতি নিধন চলছে। হাতি রক্ষা করতে না পারলে আগামী কয়েক বছর পর চিড়িয়াখানা ছাড়া দেশের আর কোথাও হাতির অস্তিত্ব থাকবে না।
গতকাল শুক্রবার বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে ৩৩টি পরিবেশবাদী সংগঠনের জোট বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ) আয়োজিত ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা হাতি সংরক্ষণে এবং হাতি নিধন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনসিএর আহ্বায়ক ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, হাতি বাঁচাতে আগে বনাঞ্চল রক্ষা করতে হবে। দেশে বন থাকলে হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী থাকবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা বলেন, এশিয়ান হাতির একটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, তারা সহজে কাউকে আঘাত করে না। কিন্তু এখন তারা পাশবিক অত্যাচারের শিকার। এক সময় হাতিরঝিল ও পিলখানায় হাতি দেখা যেত, হাতিরঝিল থেকে পিলখানায় হাতি নেওয়া হতো যত্ন করার জন্য। কিন্তু আজ আর সেই হাতি দেখা যায় না। কমতে কমতে দেশে এখন হাতির সংখ্যা মাত্র ২০০। বন-জঙ্গলে উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে।

বিএনসিএর যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ এজাজের পরিচালনায় ওয়েবিনারের অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিজিইডি) নির্বাহী পরিচালক আবদুল ওয়াহাব, নোঙরের চেয়ারম্যান সুমন শামস, পরিবেশ বিজ্ঞানের শিক্ষক ড. মাহমুদা পারভিন প্রমুখ।

বিষয় : বিশ্ব হাতি দিবস হাতি নিধন

মন্তব্য করুন