সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর প্রক্রিয়া গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিবসহ মামলার বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও আব্দুল কাইয়ুম লিটন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

গত ১ আগস্ট এ মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম লিটন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির দুই মামলায় চলতি বছরের মে মাসে অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়নি। এ জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার চেয়ে মামলার বাদী তরুণীর স্বামী এ রিট করেছেন।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন এক তরুণী। এ সময় ক্যাম্পাসের কয়েক ছাত্র ওই তরুণীকে স্বামীসহ কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। তারা স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। 

মামলার আসামিরা হলো- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান, তারেক আহমদ, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।