নেপাল থেকে গ্রীষ্ফ্ম মৌসুমে সস্তা জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং শীতে রপ্তানির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। দেশটির বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের বিষয়ও জোরালোভাবে বিবেচনা করছে ঢাকা। আগামী ২২ থেকে ২৫ আগস্ট কাঠমান্ডুতে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির চতুর্থ যৌথ সভায় এসব বিষয় দু'দেশের প্রতিনিধিরা পর্যালোচনা করবেন।

বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই সভায় অংশ নেবে। বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বিষয়ে ২০১৮ সালে এই যৌথ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি দুটির প্রথম বৈঠক হয় ওই বছরের ডিসেম্বরে কাঠমান্ডুতে। দ্বিতীয় সভা ২০১৯ সালের ২০ জুন কক্সবাজারে হয়। আর গত বছর সেপ্টেম্বরে করোনা পরিস্থিতির কারণে তৃতীয় বৈঠক হয় ভার্চুয়ালি।

সূত্র জানায়, চতুর্থ বৈঠকে গত বছর যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ, ঋতুভেদে বিদ্যুৎ চাহিদার তারতম্যের আলোকে পারস্পরিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য ইত্যাদি।

বৈঠকে অংশ নেবেন বিদ্যুৎ বিভাগের এমন এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, নেপালে বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়ন ও যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্ভাব্য প্রকল্প চিহ্নিত করা, উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ আমদানি-রপ্তানির পন্থা নির্ধারণ এবং আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত জয়েন্ট টেকনিক্যাল টিম (জেনারেশন) ও জয়েন্ট টেকনিক্যাল টিমের (ট্রান্সমিশন) কাজের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা করবেন দু'দেশের প্রতিনিধিরা। এই সঞ্চালন লাইনের অংশবিশেষ ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে নির্মিত হবে বিধায় বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার প্রয়োজন রয়েছে।

বিষয় : নেপালের বিদ্যুৎ জলবিদ্যুৎ আমদানি

মন্তব্য করুন