দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ২০ লাখ ৪৮ হাজার টন সার মজুত ছিল, যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের মজুত আছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টন এবং এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন।

এদিকে গত বছর একই সময়ে ইউরিয়া সারের মজুত ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার টন, টিএসপি ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার টন, ডিএপি ছিল ৫ লাখ ১৭ হাজার টন।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চলতি আগস্ট মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা আছে ২ লাখ ৫১ হাজার টন, টিএসপি ৪৭ হাজার টন, ডিএপি ৮১ হাজার টন, এমওপি ৫২ হাজার টন। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কৃত্রিমভাবে যাতে কেউ সারের সংকট তৈরি করতে না পারে এবং দাম বেশি নিতে না পারে, সে বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিবিড় তদারকি করছেন। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের শাস্তির আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।