সারা দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু এক দিন আগে আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। আগামীকাল তিনি চট্টগ্রামে থাকবেন না, তাই এক দিন আগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।

বুধবার নগরীর সরকারি মিউনিসিপ্যাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীকী টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর জহরলাল হাজারীর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নাছিম ভূঁইয়া, ডা. ইমাম হোসেন রানা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিটন বড়ুয়া, অধ্যক্ষ সাহেদুল কবির চৌধুরী প্রমুখ। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ১৬৪টি টিম দায়িত্ব পালন করবে।

সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনেক উন্নত দেশ থেকে অগ্রগামী। বিশ্ব দরবারে প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। যথাসময়ে কোভিড ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন করোনা প্রতিরোধে টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে যে সফলতা অর্জন করেছে, তা ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা কম বয়সী, তাই মহানগরীর প্রতিটি স্কুলে স্কুলে গিয়ে টিকা প্রয়োগ করা হবে। সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ১৬৪টি টিম একই সময়ে টিকাদান কার্যক্রমে অংশ নেবে। কিন্ডারগার্ডেন ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানাসহ সিটি করপোরেশন এলাকায় কমপক্ষে চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী এ টিকা পাবে। ৫ থেকে ১১ বছরের সব শিশুরা যাতে টিকা গ্রহণের সুযোগ পায়, সে ব্যাপারে প্রত্যেককে নজর রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী সমকালকে বলেন, ‘মেয়র মহোদয় আগামীকাল চট্টগ্রামে থাকবেন না, তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকজন শিশুকে টিকাদনের মাধমে প্রতীকী এ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।’