বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বলেন, নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়নে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। নারী ও শিশুদের কল্যাণ ও সুরক্ষায় বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ এবং প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত অসহায় নারী ও শিশুদের কল্যাণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন- এর উদ্যোগে শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়নে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল। তিনি বলেন, নারী ও শিশুদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে পরিবার থেকেই পারস্পরিক কল্যাণবোধ, মমতাবোধ ও সৌহার্দ্য অপরিহার্য। ছেলে ও মেয়ে শিশু এবং নারীর প্রতি বৈষম্যরোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে পিতা-মাতার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক পিতামাতাকে তাদের সন্তানদের মানবিক গুণাবলিতে উজ্জীবিত করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনকে আরো জোরদার করার আহ্বান জানান।

বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন এম জাফর উল্লাহ’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আজিজ ও ইঞ্জিনিয়ার আরফান চৌধুরী আপেল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা, অভিনেতা মাসুদ পারভেজ গাঙ্গুয়া, মঞ্জুর হোসেন ঈসা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মুহাম্মদ আলী।