কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রকৃত কৃষককে আরও সহজ শর্তে জামানাত ছাড়াই ঋণ দেওয়া যায়।

মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিখাতে ৪ শতাংশ স্বল্প সুদে কৃষকদের ঋণ দিচ্ছে। কিন্তু এ ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত অনেক সময়ই কৃষক পূরণ করতে পারে না। সেজন্য ঋণ দেয়ার পদ্ধতি আরও সহজ করতে হবে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে 'প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে আমাদের অবস্থান ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রাণিসম্পদখাতে অবশ্যই বিমা প্রয়োজন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একটি গাভির দাম ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা। সে জন্য প্রাণিসম্পদে অবশ্যই বিমা হওয়া উচিত। তবে বিমা কোম্পানির ওপর দেশের মানুষের বিশ্বাস নেই। তারা গ্রাহককে ব্যাপকভাবে হয়রানি করে। এ হয়রানি ও প্রতারণা বন্ধ করে বিমাকে গ্রাহকবান্ধব করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আইনুল হক। প্রবন্ধে জানানো হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা মোট কৃষিঋণের ১৪ শতাংশ। এছাড়া প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে মূল বাধা হলো ঋণপ্রক্রিয়ায় পদ্ধতিগত জটিলতা, জামানতজনিত জটিলতা, প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর অনীহা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, প্রাণিসম্পদের মৃত্যুঝুঁকি, বিমার প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা না থাকা প্রভৃতি।