আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করেছে বঙ্গবন্ধু পরিষদ। বুধবার সন্ধ্যায় কলাবাগান কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেক কেটে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করা হয়। জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দিনটি স্মরণীয় রাখতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. এস এ মালেক। 

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের সভাপতিত্বে 'তুমি জাতির জনকের কন্যা, স্বাধীনতা- স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় অনন্যা' শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করা হয়। সংগঠনের সভাপতির লেখা প্রবন্ধটি পাঠ করেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. শেখ আবদুল্লাহ আল মামুন। প্রবন্ধে শেখ হাসিনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অনেক অজানা কথা উঠে আসে। 

প্রবন্ধের মূল বক্তব্য ছিল কীভাবে এক কঠিন সংগ্রামের পথ বেয়ে নিজ প্রতিভায় বিকশিত হন শেখ হাসিনা। বিশ্বমানবের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত আজ তিনি। মানবিকতাবোধ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার জন্য আজ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে অবদান রেখে নিজের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি আজ আন্তর্জাতিক নেত্রী। তাঁর কর্ম ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ ক্ষমতাশীল ব্যক্তি হিসেবে আজ বিবেচিত।

ঢাকা নগরের সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা সাউথ ইস্ট বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মফিজুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন তুহিন, মো. মহিউদ্দিন মাহী, মিজান ইবনে হোসেন, তারেক ইমতিয়াজ, মশফিকুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া মহানগর কমিটির নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সালাউদ্দিন আল আজাদ, নির্মল বিশ্বাস, মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. আসিফ আবেদীন, কৃষিবিদ নূর ইসলাম প্রমুখ। 

জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত ও দোয়া করা হয়। দোয়া পাঠ করেন ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মশিউর রাব্বানী আপেল। 

সভায় বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার নামের আগে-পরে কোনো বিশ্লেষণ যোগ করার দরকার হয় না। এক কঠিন সংগ্রামের পথ বেয়ে নিজ প্রতিভায় বিকশিত তিনি। বিশ্বমানবের আশা-আকাঙ্খার প্রতীকে পরিণত আজ তিনি। ৪১ বছর ধরে একটানা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকা, চার-চারবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া এবং এখনও প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা সত্যিই গর্বিত হওয়ার মতো। পিতার মতো দুর্জয় সাহস নিয়ে দেশের রাজনীতি ও জনগণের পক্ষে নিজের দৃঢ় অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন, যুদ্ধ করছেন মানবিক রাজনীতির সমাজ সৃষ্টিতে। আর তাই নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনও এগিয়ে চলছেন। সাহসিকতার সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাসহ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলের মতো একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন।