বাজারে ডিম ও মুরগির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর অভিযোগে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের করা মামলার শুনানি চলছে।

বৃহস্পতিবার শুনানিতে উপস্থিত হয়ে দুটি প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে, তারা এসব পণ্যের ব্যবসাই করে না। রাজধানীর ইস্কাটন রোডে প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো, আলাল পোলট্রি অ্যান্ড ফিশ ফিড লিমিটেড ও পিপলস ফিড। অস্বাভাবিকভাবে ডিম ও মুরগির দাম বৃদ্ধির অভিযোগে প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল কমিশন।

দাম বাড়িয়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করার অভিযোগে চাল, আটা-ময়দা, ডিম, মুরগি, সাবান ও ডিটারজেন্ট পাউডার বাজারজাতকারী ও পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৪৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একযোগে স্বপ্রণোদিত মামলা করে প্রতিযোগিতা কমিশন। এসব মামলায় সোমবার থেকে শুনানি শুরু হয়। বৃহস্পতিবার শুনানি গ্রহণ করেন কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম, সদস্য জিএম সালেহ উদ্দিন, এএফএম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

শুনানিতে আলাল পোলট্রি অ্যান্ড ফিশ ফিডের প্রতিনিধি নুরুল আলম বলেন, তাঁরা ফার্মের মুরগি ও মাছের খাবার উৎপাদন ও বিপণনের ব্যবসা করেন। ডিম ও মুরগি উৎপাদনের কোনো ব্যবসা তাঁদের নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের সদস্য নাসরিন বেগম তাঁদের জানান, তাঁদের এ ব্যবসা না থাকলে তাঁরা যেন তা এফিডেভিট করে লিখিত আকারে আগামী শুনানির আগে কমিশনে জমা দেন। মুরগির ব্যবসায় যুক্ত না থাকলে তাঁদের ক্ষেত্রে মামলা কার্যকর থাকবে না।

একইভাবে শুনানিতে পিপলস ফিডের প্রতিনিধি সাইদুর রহমান সাঈদ কমিশনকে ডিম ও মুরগির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত না থাকার বিষয়টি জানান। তবে পিপলস পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি নামে আরেকটি কোম্পানি তাঁদের রয়েছে, যাঁরা ডিম ও মুরগির উৎপাদনের ব্যবসা করে থাকে। দুটি কোম্পানি আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। এরপর কমিশনের সদস্য নাসরিন বলেন, তাঁরা এ ব্যবসায় যুক্ত না থাকলে অব্যাহতি পাবেন। তবে পিপলস পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি যদি এই ব্যবসায় যুক্ত থাকে তাহলে মামলাটি প্রতিষ্ঠানটির নামে রূপান্তর হয়ে যাবে।