বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে দায়ের হওয়া ৫৬ দুর্নীতি মামলার তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে না পারলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে ‘যথাযথ আইনি পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার এক রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

বেসিক ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার ব্যবস্থাপক আসামি মোহাম্মদ আলীর জামিন আবেদন খারিজ করে এই রায় দেন আদালত।

আদালতে মোহাম্মদ আলীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম আবুল হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জোবায়দুর রহমান। দুদকের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

বেসিক ব্যাংকের ২ হাজার ৭৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গতকাল সোমবার  আলামত চেয়ে মালয়েশিয়ায় আবেদন পাঠানোর তথ্য হাইকোর্টকে জানায় দুদক। হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদনে দুদক জানায়, পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির (এমএলএআর) আওতায় মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আসামি ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর জামিন শুনানিতে গত ৮ নভেম্বর হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক।

জনগণের টাকা আত্মসাৎ, লুটপাট ও পাচারকারীদের গুলি করার শাস্তি হওয়া উচিত বলে গত ৮ নভেম্বর মন্তব্য করেছিলেন হাইকোর্ট।