ঢাকা শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে বেড়েছে ৭০ পয়সা

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ল, ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

খুচরায় দাম ৮.৫% এবং পাইকারিতে ৫% বৃদ্ধি

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ল, ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

ফাইল ছবি

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৪ | ০০:৪৯ | আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৪ | ০৮:২৭

গ্যাসের দাম বাড়ানোর দু’দিনের মাথায় পাইকারি ও খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ ও খুচরা পর্যায়ে ৮.৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ইউনিটে গড়ে পাইকারিতে ৩৪ পয়সা ও গ্রাহক পর্যায়ে ৭০ পয়সা বেড়েছে। নতুন দর সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রান্তিক গ্রাহক থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষি, শিল্প সব খাতেই বেড়েছে দাম। এ নিয়ে গত দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার ও খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বাড়ানো হলো দাম। 

বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একাধিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে আসতে ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে দাম ‘সমন্বয়’ করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্যের দাম আরও বাড়বে। এতে মানুষ আরও চাপে পড়বে। ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে। চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাবে ভোক্তারা। ফলে ভোক্তারা পণ্যসেবা কমিয়ে দেবে। সরকারও বিপদে পড়বে। কারণ, ভ্যাট ও ট্যাক্স কমে যাবে। সরকার রাজস্ব হারাবে। 

সেচে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়বে। শিল্পে দাম বাড়ানোর ফলে ব্যবসায়ীরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। 
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিপুল ভর্তুকির চাপ সামলাতে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এই মূল্য সমন্বয়ের কারণে ভর্তুকির পরিমাণ তিন হাজার কোটি টাকা কমবে। বিতরণ কোম্পানিগুলোর রাজস্ব আয় ছয় হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পাবে। 

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের কোন খাতে কত ব্যয় হচ্ছে, এর কোনো স্বচ্ছ হিসাব নেই। বিশেষ বিধান করে এই খাতের বিনিয়োগকে প্রতিযোগিতাহীন করা হয়েছে। এ খাত চলছে ভুল পরিকল্পনায়। চাহিদা না থাকলেও একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে। এসবের কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। সেসব ভুল না শুধরে, দুর্নীতি না কমিয়ে দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কেটে খরচ তোলা হচ্ছে। 

দাম বাড়ানোর পর পাইকারি বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের মূল্য ৬ টাকা থেকে ৭০ পয়সা বেড়ে বর্তমান মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪ পয়সা। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুসারে চলতি বছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি পাইকারি সরবরাহ ব্যয় ১১ টাকা ৯৬ পয়সা।

খুচরা পর্যায়ে ৮.০৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধির ফলে খুচরা গড় মূল্য ৮ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা বেড়ে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের মাসিক ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াটে ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা করা হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির (পিজিসিবি) সঞ্চালন মাশুলও বৃদ্ধি পেয়েছে। 
প্রান্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের প্রতি ইউনিটে দাম বেড়েছে ২৮ পয়সা। বাসাবাড়িতে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। সেচে ৮৩ পয়সা পর্যন্ত, শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ৫৮ পয়সা, রাস্তার বাতিতে ১ টাকা এবং শিল্পে ১ টাকা ৩৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়িয়েছে সরকার। 

বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন সমকালকে বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দেবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও কমে যাবে। তিনি বলেন, দুর্নীতি কমিয়ে, লোড ব্যবস্থাপনা করে এবং ক্যাপাসিটি চার্জের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলোর সমাধান করলেই বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমে আসে। গ্রাহকের ওপর দায় চাপাতে হয় না।

‘দাম সমন্বয়’ 

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে বলেন, উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে বিক্রি করায় লোকসান হচ্ছে। সে কারণে কিছুটা সমন্বয় করা হচ্ছে। খুবই সামান্য পরিমাণে দাম বাড়বে। লাইফলাইন গ্রাহকের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) মাসের বিল ২০ টাকার মতো বাড়তে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায়। তেল-গ্যাস ও কয়লার আন্তর্জাতিক বাজারদর ক্ষেত্রবিশেষে একই থাকলেও আগের চেয়ে ডলারপ্রতি ৪০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এখানেই বিশাল গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি।’ এই দাম বৃদ্ধির কারণে জনগণের খরচ বেড়ে যাবে– এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, খরচ তো কিছুটা বাড়বেই। তবে তা সহনীয় মাত্রায় থাকবে। 

বর্তমানে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ বিক্রি করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, এখন বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ পড়ছে প্রতি ইউনিট ১২ টাকার মতো। আর বিক্রি করা হচ্ছে গড়ে ৭ টাকায়। চলতি বছর বিদ্যুতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে আসতে ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে দাম সমন্বয় করা হবে। কম ব্যবহারকারী গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম কম বাড়বে, আর ওপরের দিকে বেশি বাড়বে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে না, সমন্বয় করা হচ্ছে। 

তবে বিশেষজ্ঞরা তাঁর সঙ্গে একমত নয়। ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ খাতে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। ব্যবসায়ীদের ইচ্ছামতো মুনাফা করার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে সরকার। এতে সরকারের লোকসান বাড়ছে। সরকার ভর্তুকি সমন্বয়ের নামে যে মূল্যবৃদ্ধি করছে, সেটি অন্যায়। এটি সাধারণ মানুষের ওপর এক ধরনের নিপীড়ন। এতে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাওয়া মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। 

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, জ্বালানি তেল, সার ও বীজের দাম বেড়েছে। এখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হলো। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ আরও বাড়বে। কৃষিতে কৃষকের আগ্রহ কমে যাবে। খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

বিল নিয়ে জটিলতার শঙ্কা

ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুতের নতুন দর ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। ফলে বিদ্যুতের বিল দিতে গিয়ে গ্রাহকদের কোনো হয়রানি হবে কিনা জানতে চাইলে বিতরণ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে দুই রকম ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে। একটি বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক গতকাল সমকালকে বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অনেক গ্রাহকের কাছে ফেব্রুয়ারির একটি অংশের বিল চলে গেছে। কারণ, বিতরণ কোম্পানিগুলো বিভিন্ন সাইকেলে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, জানুয়ারির ১০ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ বা জানুয়ারির ১৫ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ অথবা জানুয়ারির ৫ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ এমন নানান সাইকেলে বিল মাস হিসাব করে কোম্পানিগুলো। এখন যাদের ফেব্রুয়ারির একটি অংশের বিল দেওয়া হয়েছে, তাদের বিষয়ে কী হবে– তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। 

এদিকে ঢাকার একটি বিতরণ কোম্পানির একজন প্রধান প্রকৌশলী বলেন, পরের মাসের বিলের সঙ্গে বর্ধিত মূল্য সমন্বয় করা যাবে। বিলের কাগজে সেই সুযোগ রয়েছে। প্রিপেইড গ্রাহকদের বিষয়ে তিনি বলেন, মিটারগুলোর কেন্দ্রীয় অপারেটিং সিস্টেমে সমন্বয় করা হলে গ্রাহক যখন নতুন রিচার্জ করবে, তখন ফেব্রুয়ারির ব্যবহৃত বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য কাটা যাবে।

দাম কত বাড়ল

নিম্নচাপ শ্রেণির আবাসিকের (লাইফলাইন গ্রাহকের, ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী) ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে ২৮ পয়সা বাড়িয়ে ৪ টাকা ৩ পয়সা, প্রথম ধাপে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর ৪ টাকা ৮৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৬ পয়সা করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ৭৬-২০০ ইউনিট পর্যন্ত ৬ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ২০ পয়সা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ৬ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৯ পয়সা, ৩০১-৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিল ৭ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ২ পয়সা, ৪০১-৬০০ ইউনিট ১১ টাকা ৫১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২ টাকা ৬৭ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে ব্যবহারকারীদের ১৩ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা ৬১ পয়সা করা হয়েছে।

কৃষি সেচের দর ৪ টাকা ৮২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৫ পয়সা হয়েছে। এ ধরনের গ্রাহকের মধ্যম চাপে (১১ কেভি) ফ্ল্যাট রেটে ৫ টাকা ৭৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৪২ পয়সা, অফপিকে ৫ টাকা ২২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৭৭ পয়সা, পিকে ৭ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৬ পয়সা করা হয়েছে।
শিল্প গ্রাহকদের উচ্চ চাপে ফ্ল্যাট রেট ৯ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৭৫ পয়সা, অফপিকে ৮ টাকা ৮১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬৯ পয়সা এবং পিকে ১২ টাকা ২২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৪৭ পয়সা করা হয়েছে। 

শিক্ষা, ধর্মীয়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে নিম্ন চাপে ৬ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা, রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পে ৮ টাকা ৯১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ৭১ পয়সা করা হয়েছে। নিম্ন চাপে বাণিজ্যিক ও অফিসের ফ্ল্যাট রেটে ১১ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ১ পয়সা, অফপিকে ১০ টাকা ৭৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৭১ পয়সা এবং পিক সময়ে ১৪ টাকা ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে। মধ্যম চাপে এই শ্রেণিতে ফ্ল্যাট রেটে ১০ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৬৩ পয়সা, অফপিকে ৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৪৮ পয়সা এবং পিক সময়ে ১৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা ৫৭ পয়সা করা হয়েছে। 

ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নিম্ন চাপে ফ্ল্যাট রেটে ৮ টাকা ৮৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬২ পয়সা, অফপিকে ৭ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৬৬ পয়সা, সুপার অফপিকে ৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৬৮ পয়সা এবং পিক সময়ে ১১ টাকা ৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২ টাকা ১৪ পয়সা করা হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ৩০ জানুয়ারি ও ১২ জানুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে ২০০৫ সালে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের পর থেকেই বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে আসছিল সংস্থাটি। 

নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের মাধ্যমে দাম সমন্বয় করতে গেলে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন। এতে লোকসান বেড়ে যায়। যে কারণে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।

নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের দাম ঘনমিটারপ্রতি ৭৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এটা ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন

×