আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। নির্ধারিত সময়েই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য এক কর্মশালার উদ্ধোধন শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

যুক্তরাজ্যের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। চারদিনের কর্মশালায় বাংলাদেশের বিচার বিভাগের বিভিন্ন সমস্যা যেমন মামলাজট, মামলা ব্যবস্থাপনা, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির বিভিন্ন পদ্ধতিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

আনিসুল হক বলেন, যেহেতু বর্তমান রাষ্ট্রপতি (মো. আবদুল হামিদ) দুবার থেকেছেন, তাই সংবিধান অনুযায়ী তিনি আর পরের বার রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না। সেহেতু নতুন একজন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন আবদুল হামিদ। এরপর ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল তিনি টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।

বিএনপি নেতাদের জামিনের প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতের কাজে আইন মন্ত্রণালয় তো নয়ই, কোনো মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করছে না। আদালত যদি মনে করেন তাহলে জামিন দেবেন। আদালত যদি মনে করেন দেওয়া যাবে না, তাহলে দেবেন না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা অহরহ হয়ে থাকে, নিম্ন আদালত জামিন দেননি, উচ্চ আদালত জামিন দিয়েছেন। আবার এমনও হয়, নিম্ন আদালত জামিন দিয়েছেন, উচ্চ আদালত তা আটকে দিয়েছেন। বাংলাদেশে এটা নতুন কিছু না। এটা নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন তারা হয়তো জাতীয় পার্টি-বিএনপি আমল দেখেননি বা দেখলেও সেটা তারা বলতে চাচ্ছেন না।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্টের জজ বিচারপতি মওরা ম্যাকগোয়ান ও যুক্তরাজ্যের সার্কিট জজ খাতুন সাপনারা বক্তৃতা করেন।