১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল (ডিএসইসি)। রোববার কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

পল্টনে সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত এক প্রস্তাবে বলা হয়, প্রচলিত আইনে কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হতে পারে। কিন্তু শুধু একটি পেশার ১১ জন শীর্ষ নেতার ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব তলব উদ্দেশ্যমূলক, যা অতীতে কখনও কোনো পেশার ক্ষেত্রে ঘটেনি। এ ধরনের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা পেশার ওপর চাপ ও হুমকিস্বরূপ।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মনির আহমাদ জারিফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাব-এডিটরস কাউন্সিল মনে করে, ঢালাও ব্যাংক হিসাব তলবে সাংবাদিক সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের মতো একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয়ের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আনজুমান আরা শিল্পি, কোষাধ্যক্ষ অলক বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম সেতু, দপ্তর সম্পাদক মনির আহমাদ জারিফ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর কবীর, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক লাবিন রহমান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌফিক অপু, কার্যনির্বাহী সদস্য ফারজানা জবা, আব্দুর রহমান, আবু জাফর সাইফ উদ্দিন, সাফায়েত হোসেন।  

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে ১১ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। তারা হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ,  বিএফইউজের আরেক অংশের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের আরেক অংশের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মোরসালীন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান।