ব্যাংকের খেলাপি ঋণের বিপরীতে বন্ধকী সম্পদে মালিকানা প্রতিষ্ঠার পর তা দ্রুত বিক্রির ব্যবস্থা নিতে হবে। বন্ধকী সম্পদমূল্য মোট পাওনার চেয়ে বেশি হলে গ্রাহককে খেলাপিমুক্ত হিসেবে সিআইবিতে রিপোর্ট করতে হবে। আর সম্পদমূল্য কম হলে অনাদায়ী অংশ আদায়ের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অ-ব্যাংকিং সম্পদ (নন-ব্যাংকিং অ্যাসেট বা এনবিএ) বিষয়ে এই নির্দেশনা জারি করে ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়। ব্যাংকের দাবি বা প্রাপ্য পরিশোধের সূত্রে অর্জিত সম্পদকে ব্যাংকের ব্যালেন্সশিটে অ-ব্যাংকিং সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়। সাধারণত ঋণ অনাদায়ে আইনি প্রক্রিয়ায় ঋণের বিপরীতে নেওয়া জামানত বা বন্ধকী সম্পদের মালিকানা লাভ করলে এ ধরনের সম্পদ সৃষ্টি হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঋণের বিপরীতে বন্ধকী সম্পদের মালিকানা ব্যাংকের অনুকূলে পাওয়ার পর দ্রুত তা ব্যাংকের নামে রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশন করে দখলী স্বত্ব নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে ঋণ সমন্বয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনোভাবেই এ ধরনের সম্পদ বেশি দিন নিজ অধিকারে রাখা যাবে না। সম্পদ অর্জনের পর যত দ্রুত সম্ভব বিক্রি করে ঋণ সমন্বয় করতে হবে। তবে প্রয়োজন হলে ওই সম্পদ সম্পূর্ণ বা আংশিক নিজস্ব কাজে ব্যবহার করা যাবে।