বিবিধ

টাকা লুট উদ্দেশ্য ছিল না: ঢাকার ডিআইজি

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০১৫      

সমকাল প্রতিবেদক

ডাকাতির পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী- সমকাল


রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনায় টাকা লুট করা উদ্দেশ্য ছিল না; বরং পরিকল্পিতভাবে নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলাই ডাকাতদের উদ্দেশ্য ছিল বলে দাবি করেছে পুলিশ।


 


ওই ঘটনা নিয়ে বুধবার সাভার মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহফুজুল হক নূরুজ্জামান।


 


তিনি বলেন, 'ডাকাতির ঘটনায় টাকা লুট করা উদ্দেশ্য ছিল না। কারণ ব্যাংকের ভল্টের চাবি পাওয়া সত্ত্বেও তারা বেশি টাকা নেয়নি। পরিকল্পিতকভাবে নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।'


 


ডিআইজি নূরুজ্জামান বলেন, 'ডাকাতির ঘটনায় যে ধরনের অস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে তা অতীতে বাংলাদেশে কোনো ব্যাংক ডাকাতিতে ব্যবহৃত হয়নি।'


 


ওই ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের হাতে আটক একজনের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে পুলিশ। বুরহান উদ্দিন নামের ওই ব্যক্তির বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা গ্রামে।


 


পুলিশের দাবি, 'তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয়কর্মী এবং তার পরিবারের সদস্যরা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।'


 


এছাড়া ওই ঘটনায় দুটি মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছেন ডিআইজি নূরুজ্জামান।


 


প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকার হাজী নজিমউদ্দিন সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে হামলা করে। এসময় ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টার থেকে নগদ প্রায় ৬ লাখ টাকা লুট করে তারা। ওই ঘটনায় ব্যাংকের ম্যানেজারসহ নিহত হয়েছেন ৮ জন। ডাকাতদের ছোড়া গুলি ও বোমার স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন আরও অন্তত ২০ জন। টাকা নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা দুই ডাকাতকে ধরে ফেলেন। তাদের একজন গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।