জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের দিক দিয়ে খুলনা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল। অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে ভবিষ্যতে খুলনায় খাদ্য ঘাটতি চরম হওয়ার আশঙ্কা আছে। সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে নগর-কৃষি একটি ফলপ্রসূ উদ্যোগ হতে পারে। এ কাজে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) পক্ষ থেকে সব সময়ই উৎসাহিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। 

শনিবার 'নগরে খাদ্য নিরাপত্তা ও নগর-কৃষি' শীর্ষক পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিসার্চ (সিইপিআর) ও খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি) বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে। সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দীর সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্লিনের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী। উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও কৃষক নেতা শ্যামল সিংহ রায় প্রমুখ।

প্রবন্ধে বলা হয়, খুলনা মহানগরীর ৪০ শতাংশ মানুষ পরের সপ্তাহের খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন এবং প্রায় ২৩ শতাংশ মানুষ একবেলা না খেয়ে থাকতে বাধ্য হন। এ ছাড়া দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও খুলনা জেলা সবসময়ই খাদ্য ঘাটতিতে থাকে। সভায় আরও বক্তব্য দেন পানি অধিকার কমিটির সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির ববি, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কৃষি কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার বিশ্বাস, পরিবর্তন খুলনার নাজমুল আযম ডেভিড, জনউদ্যোগের সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন, দলিতের জুলি বাড়ৈ, টিআইবির আবদুল্লাহ আল মামুন, রূপান্তরের শেখ জার্জিস উল্লাহ, বাসুদেব বিশ্বাস বাবলা, হেলেন মোস্তফা জামাল পপলু, আবু সাঈদ খান ও এইচএম আলাউদ্দীন।