লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এতে ভালো না করলে গড় নম্বর অনেক কমে যাবে। এখানে ২০০ নম্বর বরাদ্দ আছে। সময় পাওয়া যাবে চার ঘণ্টা। ইংরেজির ব্যবহার করতে হবে শুদ্ধভাবে। ইংরেজির ওপর নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যে কোনো ভালো গ্রামার বই থেকে বেসিক গ্রামারের Usage দেখে নিন। প্রয়োজনে যারা ইংরেজিতে দক্ষ তাদের কাছ থেকে সহায়তা নিন। যে কোনো ইংরেজি লেখা বিশ্নেষণ করার চেষ্টা করুন।

ইংরেজি পত্রিকা পড়ুন। Sentence Structure, Word usage ও অনুবাদের প্রস্তুতির জন্য একই ঘটনার ওপর বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকার রিপোর্টে চোখ বুলান। অনেক বহুল ব্যবহূত শব্দের অর্থ, সমার্থক শব্দ অবচেতন মনেই আপনি জেনে ফেলবেন। অনেক প্রশ্নই সমসাময়িক বিষয়ের ওপর হয়। তাই ইংরেজি পত্রিকা পড়ার অভ্যাস ভালো ফল নিয়ে আসতে পারে। বাজার থেকে ভালোমানের যে কোনো একটি ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার গাইড সংগ্রহ করে নিন। বিগত বছরের প্রশ্নও দেওয়া থাকে এতে। অনুশীলনের ক্ষেত্রে এটি কাজে লাগবে। পাঁচটি করে নতুন শব্দ শিখে প্রতিটি দিয়ে তিনটি করে বাক্য লিখুন।

প্রতিদিন কী কী করলেন, দিনের শেষে সহজ ইংরেজিতে অন্তত তিন পৃষ্ঠা লিখে ফেলুন। আপনার শব্দভান্ডার যত বেশি সমৃদ্ধ হবে, ভাষার প্রতি দখল তত আসবে। Vocabulary যে কোনোভাবে পড়া যায়, বাজারের বিভিন্ন বই, পত্রিকা থেকে। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং ইংরেজিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কম্প্রিহেনশন যত পারেন, পড়ুন। পড়ার সময় তিনটি বিষয় মাথায় রাখবেন।
-অজানা শব্দের অর্থ অবশ্যই আয়ত্ত করবেন।
- বাক্যের অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন।
- পুরো অনুচ্ছেদের মূলকথা বের করবেন।
ইংরেজি বাক্য লেখার সময় আপনাকে Preposition ব্যবহার করতেই হয়। এতে অনেকেই ভুল করেন। তাই শুদ্ধ বাক্য লিখতে হলে এ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ জন্য  Preposition-গুলোর বাংলা অর্থ ও সাধারণ ব্যবহার জেনে নেবেন।

আর কিছু Appropriate Preposition পড়ে নেবেন। তাহল ধীরে ধীরে ভুল কমে যাবে। Tense সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যদি সম্ভব হয়, প্রতিদিন একটা টপিক ধরে এক পৃষ্ঠা করে লিখবেন। চর্চা না করলে তো হবে না। প্রথম দিকে সহজ টপিক নিয়ে লিখবেন। পরে কঠিন বিষয়ে লেখার চেষ্টা করবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে লিখতে হয় অনেক। তাই দ্রুত লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
- প্রয়োজনীয় চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন। যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন।