রাজধানীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত ১২৮ শিক্ষকের তালিকা এখন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষই এ তালিকা গত ১৬ এপ্রিল দুদকে জমা দিয়েছে। তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির তিনটি ক্যাম্পাসের মধ্যে স্কুল শাখার ১০৯ এবং কলেজ শাখার ১৯ শিক্ষকের নাম রয়েছে।

দুদকের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এ পত্রে ১২৮ শিক্ষকের তালিকা দিয়ে বলা হয়, 'উলি্লখিত শিক্ষকগণ কোচিং বাণিজ্যের জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।'

জানতে চাইলে সম্প্রতি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা

বেগম সমকালকে বলেন, 'দুদক আমাদের কাছে সব শিক্ষকের তালিকা

চেয়েছিল। সেখানে

কারা এমপিওভুক্ত ও কারা এমপিওভুক্ত নয়, সেটিও জানাতে বলা হয়েছিল। আমরা সেই তালিকা দিয়েছি।' সমকালের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষকে জানানো হয়, 'আপনি কোচিংবাজ শিক্ষকদের চিহ্নিত

করে আপনার স্বাক্ষরে দুদকে একটি চিঠি দিয়েছেন। সেটি আমাদের হাতে আছে।' উত্তরে তিনি বলেন, 'চিঠিটা বেশ কিছুদিন আগে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কার কার নাম ছিল, সব মনে নেই।' তিনি আরও বলেন, 'তালিকাটি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দিয়েছি। আপনারা (সাংবাদিকরা) ভালো করেই জানেন, আমাদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচিত সদস্যরাও জানেন, শিক্ষকদের কারা কোচিং বাণিজ্য করেন।'

ড. শাহান আরা বেগম সমকালকে বলেন, 'কোচিং করিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে আইডিয়ালের কিছু শিক্ষক নানা অপকর্ম করতে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দেয়। মানুষের যখন টাকা বেশি হয়ে যায়, তখন মাথা গরম হয়ে যায়।'

তবে পরে রাতে অধ্যক্ষ নিজেই সমকাল অফিসে ফোন করে তার আগের বক্তব্য অস্বীকার করে জানান, তিনি কোনো তালিকা দুদকে জমা দেননি।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতিঝিল, বনশ্রী ও মুগদার তিনটি ক্যাম্পাসে বর্তমানে প্রায় ২১ হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ৬০০। তাদের মধ্যে তিন শতাধিকই নানাভাবে কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তবে দুদকে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের দেওয়া তালিকায় মাত্র ১২৮ শিক্ষকের নাম রয়েছে।

এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নিয়ে গত ২২ মার্চ সমকালে 'কোচিং সেন্টার ঘরে ঘরে, মাসে সোয়া তিন কোটি টাকার বাণিজ্যে আইডিয়াল স্কুলের সাড়ে তিনশ' শিক্ষক' শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে গত ৯ এপ্রিল দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম স্বাক্ষরিত একটি পত্রে আইডিয়ালের অধ্যক্ষের কাছে 'শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং বাণিজ্য করার' সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিদ্যালয়ের সব শাখার প্রতিটি শিফটের শিক্ষকদের তালিকা চাওয়া হয়। এরপর বিদ্যালয় থেকে ১৬ এপ্রিল 'কোচিংবাজ শিক্ষক'দের তালিকা পাঠানো হয়।

দুদক বর্তমানে রাজধানীর মোট ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দুদকের ৬ সদস্যের অনুসন্ধান টিমের প্রধান করা হয়েছে উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম সমকালকে জানান, তারা প্রতিটি স্কুল থেকেই নামের তালিকা পেয়েছেন। সেগুলো নিয়ে বর্তমানে তদন্ত হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তে সময় লাগবে। তবে এরই মধ্যে কমিশনের কাছে প্রাথমিক একটি প্রতিবেদন তারা জমা দিয়েছেন।

তালিকাভুক্ত যারা :'কোচিংবাজ' শিক্ষকদের তালিকায় রয়েছেন স্কুল শাখার রুবিনা সুলতানা, আন্না রানী সাহা, রুবিনা ইয়াসমিন, মো. সৈয়দ আহাম্মদ, খলিলুর রহমান, দেবব্রত কুণ্ডু, শংকর কুমার মণ্ডল, কামরুল ইসলাম, আ. জলিল, আয়েশা আকতার, শারমিন জামান, বি কে মীর, শাহাজাদী হোসেন, এবিএম জয়নাল আবেদীন, জোবায়দা গুলশান আরা, শিরিন আক্তার, রওনক আইরিন, সালমা আক্তার, হাফসা সুলতানা, মতি নুর, সালমা আকতার, আবু বকর সিদ্দিক, মোজাম্মেল হক মোল্লা, মনিরুল হাসান, ইদ্রিস খান, মোকসেদুল ইসলাম, হাবিবুল্লাহ, বেলাল আহমেদ খান, খন্দকার নাহিদ হাসানো, মাহি উদ্দিন, মোজাম্মেল হক দোলন, আবুল কালাম আজাদ, তাজুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, জিয়াউল হক, কাবিউল ইসলাম, মো. মোক্তাদীর হোসাইন, মির্জা জাহিদুল হাসান, এস এম শাহজাহান, আমেনা বেগম, মো. মতিউর রহমান, ইশরাত জাবীন বানু, মো. মোসলেহ উদ্দিন, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. ফরিদুজ্জামান, মো. ফরিদ উদ্দিন, মুহাম্মাদ রুহুল আমিন, শাহাদত হোসেন বেপারী, গোলাম ফারুক পাটওয়ারী, মো. শাহজালাল ঢালি, মোসাম্মৎ নিলুফা ইয়াসমিন, আখিনুর, মো. ইদ্রীস আলী, এস এম কামরুজ্জামান, মাসুম বিল্লাহ, মো. নুরুল হক, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, আল হোলাল উদ্দিন, মো. সফিকুল আলম, এসএম হাফিজুর রহমান, মো. আতিকুজ্জামান মৃধা, মো. আ. কাদির, দেওয়ান মোকসেদুল হক, মোরশেদ আলম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. আমিনুল ইসলাম খান, মো. আমিনুল বারি, কাজী ফখরুদ্দিন, মো. আনিসুর রহমান, মো. সোহরাব হোসেন, মো. বজলুর রহমান, মো. আ. রহিম-২, মো. এনামুল হক, শ ম এনামুল হক, মলি্লক আমিরুল ইসলাম, রিপন আহমেদ খান, মো. নাইম হোসেন মুসা (ক্রীড়া), মো. গোলাম রাব্বানী, মো. আল আমিন খান, মো. আবু জাফর মোল্লা, এবিএম নাসির উদ্দিন, মো. জব্বার হাওলাদার, সুভাস চন্দ্র পোদ্দার, আবুল কালাম আজাদ-১, মনজুরুল আলম, আলী নেওয়াজ আল করিম, মো. আলী মোর্তুজা, মো. কামরুজ্জামান-১, সাখাওয়াত হোসেন, মো. মহসিন হাওলাদার, আজমল হোসেন, মো. আফসার উদ্দিন, সমীর কৃষ্ণ সরকার, মাসুদ জাভেদ, সেলিম রেজা, হারুন অর রশিদ-১, মাসুদা হাসনাত, সৈয়দ জুবাইদা গুলশান আরা, মোতাহার হোসেন, জুবাইদা রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান-১, নিজাম উদ্দিন কামাল, তামান্না জাহান হামিদী, সেবিকা রানী পাল, লাভলী আক্তার, মনি দ্বীপা রানী রায়, মুরাদ আহমেদ ও আব্বাস উদ্দিন মিয়া।

তালিকাভুক্ত কলেজ শাখার শিক্ষকরা হলেন রাশিদা বেগম, রওনাক জাহান, ফাওজিয়া রাশেদী, মো. মিজানুর রহমান, মুশফিক উস সালেহিন, রুমানা শাহীন শেফা, মোহাম্মদ ফেরদাউস, নাজমা বেগম, দেওয়ান ফারজানা ইসলাম, জাফরিন এহসান, নাহিদ নাহার, শাহনাজ আলম, হাসিনা আক্তার, লায়লা আক্তর, নিগার সুলতানা, তাহমিনা বেগম, নাসরিন ফেরদৌস, ইসরাত জাহান ও শামীমা নাসরীন।


আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১২৮ শিক্ষকের তালিকা দিয়েছেন অধ্যক্ষ সাবি্বর নেওয়াজ রাজধানীর সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত ১২৮ শিক্ষকের তালিকা এখন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষই এ তালিকা গত ১৬ এপ্রিল দুদকে জমা দিয়েছে। তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির তিনটি ক্যাম্পাসের মধ্যে স্কুল শাখার ১০৯ এবং কলেজ শাখার ১৯ শিক্ষকের নাম রয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এ পত্রে ১২৮ শিক্ষকের তালিকা দিয়ে বলা হয়, 'উলি্লখিত শিক্ষকগণ কোচিং বাণিজ্যের জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।' জানতে চাইলে সম্প্রতি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম সমকালকে বলেন, 'দুদক আমাদের কাছে সব শিক্ষকের তালিকা চেয়েছিল। সেখানে কারা এমপিওভুক্ত ও কারা এমপিওভুক্ত নয়, সেটিও জানাতে বলা হয়েছিল। আমরা সেই তালিকা দিয়েছি।' সমকালের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষকে জানানো হয়, 'আপনি কোচিংবাজ শিক্ষকদের চিহ্নিত করে আপনার স্বাক্ষরে দুদকে একটি চিঠি দিয়েছেন। সেটি আমাদের হাতে আছে।' উত্তরে তিনি বলেন, 'চিঠিটা বেশ কিছুদিন আগে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কার কার নাম ছিল, সব মনে নেই।' তিনি আরও বলেন, 'তালিকাটি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দিয়েছি। আপনারা (সাংবাদিকরা) ভালো করেই জানেন, আমাদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচিত সদস্যরাও জানেন, শিক্ষকদের কারা কোচিং বাণিজ্য করেন।' ড. শাহান আরা বেগম সমকালকে বলেন, 'কোচিং করিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে আইডিয়ালের কিছু শিক্ষক নানা অপকর্ম করতে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দেয়। মানুষের যখন টাকা বেশি হয়ে যায়, তখন মাথা গরম হয়ে যায়।' তবে পরে রাতে অধ্যক্ষ নিজেই সমকাল অফিসে ফোন করে তার আগের বক্তব্য অস্বীকার করে জানান, তিনি কোনো তালিকা দুদকে জমা দেননি। আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতিঝিল, বনশ্রী ও মুগদার তিনটি ক্যাম্পাসে বর্তমানে প্রায় ২১ হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ৬০০। তাদের মধ্যে তিন শতাধিকই নানাভাবে কোচিং বাণিজ্যে যুক্ত বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তবে দুদকে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের দেওয়া তালিকায় মাত্র ১২৮ শিক্ষকের নাম রয়েছে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নিয়ে গত ২২ মার্চ সমকালে 'কোচিং সেন্টার ঘরে ঘরে, মাসে সোয়া তিন কোটি টাকার বাণিজ্যে আইডিয়াল স্কুলের সাড়ে তিনশ' শিক্ষক' শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে গত ৯ এপ্রিল দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম স্বাক্ষরিত একটি পত্রে আইডিয়ালের অধ্যক্ষের কাছে 'শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং বাণিজ্য করার' সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিদ্যালয়ের সব শাখার প্রতিটি শিফটের শিক্ষকদের তালিকা চাওয়া হয়। এরপর বিদ্যালয় থেকে ১৬ এপ্রিল 'কোচিংবাজ শিক্ষক'দের তালিকা পাঠানো হয়। দুদক বর্তমানে রাজধানীর মোট ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দুদকের ৬ সদস্যের অনুসন্ধান টিমের প্রধান করা হয়েছে উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম সমকালকে জানান, তারা প্রতিটি স্কুল থেকেই নামের তালিকা পেয়েছেন। সেগুলো নিয়ে বর্তমানে তদন্ত হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তে সময় লাগবে। তবে এরই মধ্যে কমিশনের কাছে প্রাথমিক একটি প্রতিবেদন তারা জমা দিয়েছেন। তালিকাভুক্ত যারা :'কোচিংবাজ' শিক্ষকদের তালিকায় রয়েছেন স্কুল শাখার রুবিনা সুলতানা, আন্না রানী সাহা, রুবিনা ইয়াসমিন, মো. সৈয়দ আহাম্মদ, খলিলুর রহমান, দেবব্রত কুণ্ডু, শংকর কুমার মণ্ডল, কামরুল ইসলাম, আ. জলিল, আয়েশা আকতার, শারমিন জামান, বি কে মীর, শাহাজাদী হোসেন, এবিএম জয়নাল আবেদীন, জোবায়দা গুলশান আরা, শিরিন আক্তার, রওনক আইরিন, সালমা আক্তার, হাফসা সুলতানা, মতি নুর, সালমা আকতার, আবু বকর সিদ্দিক, মোজাম্মেল হক মোল্লা, মনিরুল হাসান, ইদ্রিস খান, মোকসেদুল ইসলাম, হাবিবুল্লাহ, বেলাল আহমেদ খান, খন্দকার নাহিদ হাসানো, মাহি উদ্দিন, মোজাম্মেল হক দোলন, আবুল কালাম আজাদ, তাজুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, জিয়াউল হক, কাবিউল ইসলাম, মো. মোক্তাদীর হোসাইন, মির্জা জাহিদুল হাসান, এস এম শাহজাহান, আমেনা বেগম, মো. মতিউর রহমান, ইশরাত জাবীন বানু, মো. মোসলেহ উদ্দিন, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. ফরিদুজ্জামান, মো. ফরিদ উদ্দিন, মুহাম্মাদ রুহুল আমিন, শাহাদত হোসেন বেপারী, গোলাম ফারুক পাটওয়ারী, মো. শাহজালাল ঢালি, মোসাম্মৎ নিলুফা ইয়াসমিন, আখিনুর, মো. ইদ্রীস আলী, এস এম কামরুজ্জামান, মাসুম বিল্লাহ, মো. নুরুল হক, একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, আল হোলাল উদ্দিন, মো. সফিকুল আলম, এসএম হাফিজুর রহমান, মো. আতিকুজ্জামান মৃধা, মো. আ. কাদির, দেওয়ান মোকসেদুল হক, মোরশেদ আলম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. আমিনুল ইসলাম খান, মো. আমিনুল বারি, কাজী ফখরুদ্দিন, মো. আনিসুর রহমান, মো. সোহরাব হোসেন, মো. বজলুর রহমান, মো. আ. রহিম-২, মো. এনামুল হক, শ ম এনামুল হক, মলি্লক আমিরুল ইসলাম, রিপন আহমেদ খান, মো. নাইম হোসেন মুসা (ক্রীড়া), মো. গোলাম রাব্বানী, মো. আল আমিন খান, মো. আবু জাফর মোল্লা, এবিএম নাসির উদ্দিন, মো. জব্বার হাওলাদার, সুভাস চন্দ্র পোদ্দার, আবুল কালাম আজাদ-১, মনজুরুল আলম, আলী নেওয়াজ আল করিম, মো. আলী মোর্তুজা, মো. কামরুজ্জামান-১, সাখাওয়াত হোসেন, মো. মহসিন হাওলাদার, আজমল হোসেন, মো. আফসার উদ্দিন, সমীর কৃষ্ণ সরকার, মাসুদ জাভেদ, সেলিম রেজা, হারুন অর রশিদ-১, মাসুদা হাসনাত, সৈয়দ জুবাইদা গুলশান আরা, মোতাহার হোসেন, জুবাইদা রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান-১, নিজাম উদ্দিন কামাল, তামান্না জাহান হামিদী, সেবিকা রানী পাল, লাভলী আক্তার, মনি দ্বীপা রানী রায়, মুরাদ আহমেদ ও আব্বাস উদ্দিন মিয়া। তালিকাভুক্ত কলেজ শাখার শিক্ষকরা হলেন রাশিদা বেগম, রওনাক জাহান, ফাওজিয়া রাশেদী, মো. মিজানুর রহমান, মুশফিক উস সালেহিন, রুমানা শাহীন শেফা, মোহাম্মদ ফেরদাউস, নাজমা বেগম, দেওয়ান ফারজানা ইসলাম, জাফরিন এহসান, নাহিদ নাহার, শাহনাজ আলম, হাসিনা আক্তার, লায়লা আক্তর, নিগার সুলতানা, তাহমিনা বেগম, নাসরিন ফেরদৌস, ইসরাত জাহান ও শামীমা নাসরীন।

মন্তব্য করুন