রাজধানী

বক্তৃতা নয়, তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে: জয়

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০১৮     আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

'বক্তৃতা দিতে আমার ভালো লাগে না। আমি তরুণদের কথা শুনতে চাই। তাদের সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে।'

তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠান 'লেটস টক'-এ কথাগুলো বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এই মতবিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়গুলো জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ বলেন, আমি গিটার বাজাতে পছন্দ করতাম। কিন্তু পড়ালেখা ও কাজের চাপে এ সময় তা বন্ধ করে দেই। এখন আবার গিটার বাজানো শুরু করেছি।

গিটার বাজানো ছাড়াও কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন বলেন জানান তিনি। সজীব ওয়াজেদ বলেন, কম্পিউটার আমার খুব পছন্দের বিষয়। সুযোগ পেলেই কাজ করি কম্পিউটারে। এ ছাড়াও কম্পিউটার গেম খেলতে পছন্দ করি।

সময় পেলে শোনেন রাগ রাগ সঙ্গীত। তিনি বলেন, গান আমার খুবই পছন্দ। সুযোগ পেলে আমি রাগ সঙ্গীত শুনি। এ ছাড়াও ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসি।

পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে মাঝে মধ্যেই সিনেমা দেখেন বলে জানান সজীব ওয়াজেদ। তিনি বলেন, সুযোগ পেলেই পরিবারকে সাথে নিয়ে সিনেমা দেখি। আমার পছন্দ অ্যাকশন ছবি। কিন্তু তাদের পছন্দ ভিন্ন। তাই আমরা তিনজন একসাথে কি সিনেমা দেখব তা বাছাই করতে বেশ কষ্ট হয়। ডিজনির সকল সিনেমা আমরা দেখে ফেলেছি।

জীবনে প্রথম সাইকেল পাওয়ার কথা স্মরণ করে সজীব ওয়াজেদ বলেন, আমি তখন ক্লাস ওয়ানে পড়ি সম্ভবত। একবার খুব শখ হলো সাইকেলের। এ সময় দিল্লিতে থাকি আমরা। বাবাকে সাইকেল কিনে দেয়ার কথা বলার পর তিনি বললেন, এবার ক্লাসে প্রথম হলে সাইকেল কিনে দেবো। জীবনে প্রথম চ্যালেঞ্জ। সেই ক্লাসে প্রথম হয়ে পাশ করার পর বাবা আমাকে সাইকেল কিনে দিয়েছিল। আসলে চ্যালেঞ্জ নিলে তা পূরণের জন্য আরো বেশি কাজ করি আমি। এমনই এক চ্যালেঞ্জ ছিলো হাভার্ডে যখন ভর্তির আবেদন করি। ১৯৯৭ সালে ব্যাচেলর শেষ করার ১০ বছর পর প্রথম আমি কোন পরীক্ষা দেই। আর সেখানে আমার লক্ষ্য ছিলো ৯৯% মার্কস রাখা। আমি সেটা করতে পেরেছি।

নিজ পরিবারের সাথে কাটানো সময় নিয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেন, আমি কোনভাবেই বুঝতে পারিনা, বাবা-মা তার বাচ্চাকে লালন পালন না করে কেনো কাজের লোকের কাছে রেখে যান। আমি এখনো আমার মেয়েকে রাতে নিজে পড়াই। আমার স্ত্রী এবং আমি মেয়েকে নিয়ে যাই যখন তার ফুটবল খেলা থাকে। সুযোগ পেলে আমার মেয়েকে ফুটবল প্র্যাকটিসের জন্যও আমি নিয়ে যাই।


আরও পড়ুন

ডাকসু না হওয়ায় নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না

ডাকসু না হওয়ায় নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না

 ডাকসু ভিপি ১৯৬৩-৬৪ জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্য, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, রাজনৈতিক কর্মী ও নেতৃত্ব ...

সব আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্র ছিল ডাকসু

সব আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্র ছিল ডাকসু

ডাকসু ভিপি ১৯৭০-৭১ আজকের এই স্মৃতিচারণ আমার ব্যক্তিগত কৃতিত্ব জাহির করার ...

আগে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে

আগে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে

 ডাকসু ভিপি ১৯৭৯-৮০ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবস্থা তাতে ডাকসু নির্বাচন ...

সব প্রতিষ্ঠানেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন চাই

সব প্রতিষ্ঠানেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন চাই

 ডাকসু ভিপি ১৯৮৯-৯০ ডাকসু শুধু নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে ...

উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর

উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা আলোচিত শাহনাজ ...

গণধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলায় চরজব্বার থানার ওসিকে প্রত্যাহার

গণধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলায় চরজব্বার থানার ওসিকে প্রত্যাহার

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্ব পালনে অবহেলার ...

২৮ বছর পর 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' স্বপ্ন ডানা মেলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

২৮ বছর পর 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' স্বপ্ন ডানা মেলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

টানা ২৮ বছর পর দেশের 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' হিসেবে খ্যাত 'ঢাকা ...

শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়

শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়

গুলশান-বারিধারা লেকের দূষণ রোধে ৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছিল ঢাকা ...