রাজধানী

ঈদের পর ট্রাফিক ব্যবস্থার পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হবে: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০১৮     আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ইতিমধ্যে ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আশা করছি, ঈদের পর এই পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হবে। সোমবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতের নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানাতে গিয়ে এই কথা বলেন তিনি।

ঈদের সময় রাজধানীতে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৪ হাজার পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। ঈদগাহ ময়দানে আসার সময় বাইরের গেটে, প্রধান গেটে ও ভেতরে চেকপোস্ট থাকবে। তল্লাশিকালে লম্বা লাইন পড়তে পারে। নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতার জন্য মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানাই।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ঈদগাহ ময়দানে ব্যাগ, ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা আনা যাবে না। মুসল্লিরা জায়নামাজ আর বৃষ্টি হলে ছাতা সঙ্গে আনতে পারবেন। তবে প্রয়োজনে জায়নামাজ ও ছাতাও তল্লাশি করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা ফাঁকা হয়ে যাবে। বাসাবাড়ি, অফিস, বিপণিবিতানগুলোও ফাঁকা থাকবে। এই সময় মহানগরের নিরাপত্তায় পুলিশি টহল থাকবে।

উল্লেখ্য, ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের এক সভায় 'ঢাকা শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন' শীর্ষক এক সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শহরে অটোসিগন্যাল ও রিমোট কনট্রোলড অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগন্যালিং পদ্ধতি চালু করার মতো বিষয়। 

সভায় নিরাপদ সড়ক ও মহাসড়কের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চলমান কার্যক্রমের ওপর দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে, ঢাকা শহরে সব গণপরিবহন- বিশেষত বাস চলাচলের সময় গাড়ির মূল দরজা বন্ধ রাখা এবং বাস স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে (বিশেষ করে বাস) দৃশ্যমান দু'টি স্থানে চালক ও সহকারীর ছবিসহ নাম, চালকের লাইসেন্স নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা; সব মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীকে (সর্বোচ্চ দু'জন আরোহী) বাধ্যতামূলক হেলমেট পরতে ও সিগন্যালসহ ট্রাফিক আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। 

পরিবহন ব্যবস্থাপনার এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিআরটিএ ও ঢাকা মহানগর পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।