ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

নিজেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা করে আসছিলেন মোহাম্মদ বিন জহির সুমন ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি।মঙ্গলবার ওই ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ওই ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সুমন ভূঁইয়া ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট শহীদ বাসার রোডের বাসিন্দা। তার বাবার নাম জহিরুল হক ভূঁইয়া। তার কাছ থেকে নগদ ১১ হাজার টাকা ও প্রতারণায় ব্যবহূত দুটি দামি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

ডিএনসিসি জানায়, মোহাম্মদ বিন জহির সুমন ভূঁইয়া নিজেকে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। এদিন দুপুরে গুলশান এভিনিউর একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে নিজেকে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ম্যানেজারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করেন। 

ম্যানেজারের সন্দেহ হলে তিনি সুমন ভূঁইয়াকে কৌশলে বসিয়ে রেখে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারকে খবর দেন। সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে জেরা করে ঘটনার সত্যতা পান। 

একপর্যায়ে অভিযুক্ত সুমন ভূঁইয়া স্বীকার করেন, তিনি প্রায় এক বছর ধরে নিজেকে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। পরে ভুয়া পরিচয় ও প্রতারণা করার অপরাধে দণ্ডবিধির ১৭১ ধারা অনুযায়ী তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার।