মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ২ জুলাইয়ের মধ্যে ধ্বংসের নির্দেশ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

রোববার প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্মেসিতে সংরক্ষিত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ অবিলম্বে ফেরত নেওয়ার জন্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও আমদানিকারকদের অবহিত করতে বলা হয়েছে। এসব ওষুধ কোম্পানি ও আমদানিকারকদের প্রতিস্থাপন করে দিতে হবে। একই সঙ্গে ওষুধ কোম্পানি ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে তা ধ্বংস করবে এবং তা করার পর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে নির্দিষ্ট ছক পূরণ করে জানাতে হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে ঔষধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান, কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, ফার্মেসি কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ার কথা জানান। এর পরই সাধারণ মানুষের মধ্যে ওষুধ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

পাপন জানিয়েছিলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বদল করে দেওয়া হয়। এ কারণে ফার্মেসি মালিকের কোনো লোকসান গুনতে হয় না। তাই ভোক্তার কাছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির প্রশ্নই ওঠে না। এর পর গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে মন্ত্রী-সচিবের সঙ্গে সাংবাদিকদের বাদানুবাদ হয়।