বুড়িগঙ্গাতীরে আরও ৪৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

সমকালের ফাইল ছবি

ঢাকার পার্শ্ববর্তী নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে চতুর্থ পর্বের অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে মঙ্গলবার ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীর থেকে আরও ৪৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কামরাঙ্গীরচরের নবাবেরচর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এটি ছিল চলমান উচ্ছেদ অভিযানের ৪০তম দিন। বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানকালে আটটি পাকা ভবন, ১২টি আধাপাকা ভবন, ১৯টি টিনের ঘর এবং আটটি দোকানঘরসহ মোট ৪৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পাকা ভবনের মধ্যে ছিল দুটি সাততলা, একটি দোতলা ও পাঁচটি একতলা ভবন। এ সময় অর্ধএকর তীরভূমি অবমুক্ত করা হয়।

এই অভিযানের তত্ত্বাবধানে থাকা বিআইডব্লিউটিএ'র ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্মপরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন এবং সংস্থার ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনের অভিযানে বুধবার সকাল ৯টায় ঢাকার বাদামতলী থেকে শুরু করে সদরঘাট ও শ্যামবাজার হয়ে শ্মশানঘাট অভিমুখে নদীর উত্তর পাড়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম চলবে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, গত ২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে গতকাল পর্যন্ত মোট ৪০ দিনের অভিযানকালে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদের উভয় তীরের মোট চার হাজার ৫৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সাড়ে ৯৬ একর তীরভূমি অবমুক্ত করা হলো। এ ছাড়া উচ্ছেদ করা স্থাপনা নিলামে তুলে ৫ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। 

অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দায়ে একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান এবং অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়।