গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় পাওয়া সফটওয়ার ব্যবহার হবে: মন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ভবিষ্যতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন গণপূর্ত অধিদফতর, রাজউকসহ অন্যান্য দফতরে আইনগত প্রক্রিয়ায় পাওয়া সফটওয়ার ব্যবহার করা হবে। আইনসঙ্গত কাজ করাই আইনের শাসন। সে আঙ্গিকে অন্যভাবে সংগৃহীত সফটওয়ার ব্যবহার করা আইনসঙ্গত নয়।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আইটেক আনলিমিটেডের উদ্যোগে স্থাপত্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের ‘অ্যাডভান্সড ট্রেনিং অন লাইসেন্সড অটোক্যাড’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পাইরেসি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা হতে পারে। তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত সাইবার অপরাধও এর অন্তর্ভুক্ত। আমরা এখন আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় আইনানুগ উপায়ে স্থাপত্য অধিদফতরে সফটওয়ার এনেছি। এটা অত্যন্ত ভালো একটা দিক।

আইটেক আনলিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম এইচ শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির।

মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি নির্ভরতা বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও বিশ্বমানের একটি রাষ্ট্রের জায়গায় নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। এই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্ট্রা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেন। বাংলাদেশে ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থা আজ সরকারি, বেসরকারি ও সাধারণ নাগরিকের কর্মকাণ্ডে সর্বত্র পৌঁছে গেছে।

তিনি আরও বলেন, নিজেদের স্বকীয়তা রক্ষা করে অনেক কিছু সৃষ্টি করতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের কর্মস্পৃহা, অদম্য গতি, আন্তরিকতা আর প্রচেষ্টা দিয়ে শৃঙ্খলিত একটি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেন, স্থাপত্য অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ের স্থপতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে স্থাপত্য অধিদফতরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৮ জন স্থপতিকে সনদপত্র দেওয়া হয়।