এলাকার কোনও সমস্যায় দায়ী থাকবেন কাউন্সিলররা: মেয়র আতিক

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০১৯     আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০১৯   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণসহ এলাকার যে কোনও সমস্যার বিষয়ে কাউন্সিলররা দায়ী থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, যার যার কৃতকর্মের জন্য তাকেই জবাবদিহি করতে হবে।

বুধবার ডিএনসিসি নগর ভবনে 'মশক নিয়ন্ত্রণে বর্তমান কার্যক্রম এবং বছরব্যাপী কর্মপরিকল্পনা' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, মশক নিয়ন্ত্রণে বছরব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা করেছে ডিএনসিসি। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে বছরজুড়েই মশক নিধন কার্যক্রম চলবে। এ জন্য পৃথক জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা মশার উৎপত্তিস্থলগুলো চিহ্নিত করার দায়িত্ব পালন করবেন। সে অনুযায়ী ডিএনসিসি ব্যবস্থা নেবে।

মেয়র বলেন, কিউলেপ মশা নিয়ন্ত্রণে গত ৭ অক্টোবর থেকে মশার প্রজননস্থল, অর্থাৎ হট স্পট চিহ্নিত করতে দু'জন কীটতত্ত্ববিদ ও ১০ জন শিক্ষানবিশ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এরই মধ্যে গবেষণা করে হট স্পট, অর্থাৎ কোন এলাকায় মশার তীব্রতা কত, তা নির্ধারণ করছেন। তাদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সে অনুযায়ী মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডেই গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।

কীটতত্ত্ববিদ ড. জি এম সাইফুর রহমান জানান, সাতটি ওয়ার্ডে কিউলেপ মশার প্রজননস্থলের ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। এগুলো হলো ২০, ২৮, ১১, ৫, ৩১, ৩২ ও ১৭। প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন বলেন, ২৩ অক্টোবর থেকে দুই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম, অর্থাৎ ক্রাশ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সম্প্র্রতি কোপেনহেগেনে বিভিন্ন দেশের মেয়রদের সম্মেলন সি ফোরটির কথা উল্লেখ করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ও কোপেনহেগেনের মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ৩৬টি ওয়ার্ডে একটি করে ৩৬টি স্যাটেলাইট অগ্নিনির্বাপণ স্টেশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। এ ছাড়া পরীক্ষামূলকভাবে শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার জন্য কয়েকটি স্কুলে বৈদ্যুতিক বাস চালু করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মনজুর হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।